প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৫০
-ছবি. সুখবর
হাওরে ধান কাটার শ্রমিক সংকট নিরসনে তাহিরপুরের ৩ স্থল শুল্ক স্টেশনের কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন বন্ধ ঘোষণায় সীমান্ত এলাকাজুড়ে মাইকিং করা হয়েছে।
শনিবার দিনব্যাপী মাইকিংয়ে জানান দেয়া হয়, তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাওরে বর্তমানে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হয়েছে। উপজেলার একমাত্র বোরো ফসল উত্তোলনে কোন ধরনের শ্রমিক সংকট যেন না দেখা দেয় সে লক্ষে তাহিরপুর কয়লা আমদানীকারক সমিতির এক জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মাইকিংয়ে আরও বলা হয়- ১৮ এপ্রিল থেকে আগামী পহেলা মে পর্যন্ত উপজেলার বড়ছড়া স্থল শুল্ক স্টেশন, চারাগাঁও স্থল শুল্ক স্টেশন ও বাগলী স্থল শুল্ক স্টেশনে কয়লা ও চুনাপাথর পরিহন চূড়ান্তভাবে বন্ধ ঘোষনা করা হলো।
তাহিরপুর কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি খসরুল আলম বলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের পরামর্শক্রমে উপজেলার বৃহৎ বোরো ফসলি ধানের হাওর শনির হাওর, মাটিয়ান হাওর, মহালিয়া হাওর ও বর্ধিত গুরমা হাওরের ধান কাটতে শ্রমিক সংকট যেন না হয় সে লক্ষে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সীমান্তের ৩টি স্থল শুল্ক স্টেশন বন্ধ থাকায় প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক হাওরে ধান কাটার কাজে যুক্ত হতে পারবে।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, হাওরে কৃষকদের ধান কাটার সুবিধার্থে উপজেলার বড়ছড়া স্থল শুল্ক স্টেশন, চারাগাঁও স্থল শুল্ক স্টেশন ও বাগলী স্থল শুল্ক স্টেশনে কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন এছাড়া জেলার বৃহৎ বালুপাথর মহাল যাদুকাটা নদীতে বালু উত্তোলন আজ ১৮ এপ্রিল থেকে আগামী পহেলা মে পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে বন্ধ ঘোষণায় এলাকাজুড়ে মাইকিং প্রচারনা চালানো হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আশা করা যাচ্ছে এ বছর হাওরের ধান কাটতে আর শ্রমিক সংকট থাকবে না। ৩টি স্থল শুল্ক স্টেশন ও যাদুকাটা নদী বন্ধ ঘোষনায় প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক হাওরে ধান কাটতে পারবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন