প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩৫
সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধস নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম একদিনেই কমেছে ১০ শতাংশের বেশি। মূলত দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে—এমন আশা থেকে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে কমেছে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ।
সোমবার (২৭ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। এদিন বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয়েছে প্রায় ৮৮ দশমিক ৬ মার্কিন ডলারে। আগের দিনের ৯১ দশমিক ৬৮ ডলার থেকে এর দাম কমেছে ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। খবর আনাদোলুর।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮২ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে আসে।
এর আগে গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি কমে যেতে পারে—এমন উদ্বেগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সাময়িকভাবে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারে পৌঁছেছিল। তবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের পর গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা স্থগিত করলে তেলের দাম কমতে শুরু করে।
সোমবার ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ‘ভালো আলোচনা’ চলছে এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে আবারও হামলা শুরু হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারাও পাল্টা সামরিক অভিযান স্থগিত করেছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে।
এদিকে কাজাখস্তানের তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথ রাশিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলে অবস্থিত ক্যাস্পিয়ান পাইপলাইন কনসোর্টিয়াম টার্মিনাল থেকে আবারও অপরিশোধিত তেল পরিবহন শুরু হওয়ায় সরবরাহ পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে।
তবে বাজারে এখনো কিছুটা সতর্কতা রয়েছে। কারণ ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের সৌদি আরামকো-সংশ্লিষ্ট জিজান ও ইয়ানবুর স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর দাবি করেছে।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি
আন্তর্জাতিক থেকে আরো পড়ুন