প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫০
অন্তবর্তী সরকার আমলে অনেকটা তড়িঘড়ি করে তিনি ভিসি পদ বাগিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু এ নিয়োগকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত মনে করে একের পর এক ‘অনাচার’ করে যাচ্ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাস বাস্তবায়ন আন্দোলনের উল্টো অবস্থান ছিল তার। এ নিয়ে ৩০ জুন সুনামগঞ্জের খবরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। বিশ্বস্ত সূত্র মারফত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা প্রতিবেদনটিতে একটি কার্টুনও ছিল। যেন কার্টুনে কাবু তিনি। বিষয়বস্তু নিয়ে ৩০ জুন দিন ও রাতে অসংখ্যবার ফোন করেন প্রতিবেদককে। নানা অনুনয়—বিনয়ে রিপোর্টটি অন্তত অনলাইন থেকে আউট করার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তাতে উস্মা প্রকাশ করা হলে ভিসি নীতি ও নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে রূঢ় আচরণও করেন। কার্টুনে তার মানহানি ঘটেছে আর প্রতিবেদন নিয়েও চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। অবশেষে কার্টুনের মতো করে ‘জুন ফাইনাল’! অর্থ্যাৎ অন্তবর্তী সরকার পেরিয়ে নির্বাচিত সরকার আমলে ভিসি অব্যাহতি পেলেন। অনাচারে অব্যাহতির মধ্য দিয়ে প্রমাণ হলো সুনামগঞ্জের খবরে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির সত্যতা।
প্রসঙ্গত, প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভিসির বক্তব্য থাকলেও বাড়তি কথাবার্তা যুক্ত করে আরও একটি প্রতিবাদ পাঠানো হয়। কিন্তু সাংবাদিকতার নীতি ও পেশাদারিত্বে অটল সুনামগঞ্জের খবর সেই প্রতিবাদ প্রকাশ করেনি। এতে করে তিনি ঢাউস বিজ্ঞাপন দিয়ে নিজের মনগড়া বক্তব্যসংবলিত প্রতিবাদ প্রকাশেরও প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এ নিয়ে ঢাকার একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে যাতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ না হয়, বিজ্ঞাপন টোপ ফেলে অপেক্ষায় রেখেছিলেন।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন