প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৪
ছবি-সু.খবর
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নেশাজাতীয় তরল পানীয় পান করে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এনিয়ে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) ও বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাদের মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
এর মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। সুদেব দাস উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের বাসিন্দা। News
এছাড়াও মারা যাওয়া অন্যরা হলেন- মোড়াকরি গ্রামের সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২), তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত কুড়ি (৩৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- মারা যাওয়া ব্যক্তিরা উপজেলার মোড়াকড়ি বাজারের ‘হ্যানিম্যান হোমিও হল’- থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল পানীয় কিনে নিয়মিত নেশার উদ্দেশ্যে সেবন করতেন। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে ওষুধ সেবনের পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে মৃত্যু বরণ করেন। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় সুজিতের। আর হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যায় সুবেদ। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রঞ্জিত। এছাড়াও নন্দলাল রবিদাস ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস মারা যায় নিজ গ্রামেই।
এ বিষয়ে মোড়াকড়ি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস বলেন, মৃতরা নিয়মিত হোমিওপ্যাথিক দোকান থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল পানীয় কিনে নেশা করতেন। ধারণা করা হচ্ছে ওই তরল পানীয় সেবনের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তারা পুলিশকে না জানিয়েই মরদেহগুলো দাহ করেছে। এর মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে পাশাপাশি এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন- এই তরল পানীয় পানীয়তে মদের উৎস কিংবা এতে কোনো বিষাক্ত উপাদান ছিল কি-না এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার বলেন- ময়নাতদেন্ত বেরিয়ে আসবে মৃত্যুর সঠিক কারণ। রিপোর্ট পেলেই বুঝাযাবে কিভাবে মারা গেছেন তারা।
সূত্র: সিলেটভিউ২৪ডটকম
সিলেট থেকে আরো পড়ুন