প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫০
বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে দিরাই উপজেলায় গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের মায়েদের নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্তন্যদানকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সীমান্তিক (এসএমসি কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রাম) এই আয়োজন করে।
মঙ্গলবার উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া গ্রামে সভায় সভাপতিত্ব করেন সীমান্তিক দিরাই উপজেলা সুপারভাইজার শামসুর রাজা চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডা. নিশাত তাসনিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. নিশাত তাসনিম বলেন, শিশুর সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জীবন রক্ষায় মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই। মায়ের দুধে শিশুর প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা বিভিন্ন সংক্রমণ, ডায়রিয়াসহ নানা রোগ থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেয়। একই সঙ্গে মা ও শিশুর মধ্যে গভীর আবেগিক বন্ধন গড়ে তোলে।
তিনি আরও বলেন, জন্মের পরপরই নবজাতককে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর বয়স উপযোগী পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি কমপক্ষে দুই বছর বা তারও বেশি সময় পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ পান করানো উচিত।
সভায় সীমান্তিকের এমএমএস প্যারামেডিক, কমিউনিটি মোবিলাইজার, গোল্ড স্টার মেম্বার, গর্ভবতী নারী, নবজাতকের মায়েরা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশে ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ—২০২৬ পালিত হচ্ছে। সপ্তাহটির মূল লক্ষ্য হলো মাতৃদুগ্ধ পান করানোর গুরুত্ব তুলে ধরা এবং মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন