প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:১৯
টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার পর গরমে হাঁসফাঁস করেছে শহরবাসী। ঘরে কিংবা বাইরে তীব্র তাপদাহের তাপে নাকাল অবস্থা ছিল মানুষের। বিশেষ করে বাইরে উত্তপ্ত রোদে কর্মজীবী মানুষ ভোগান্তিতে ছিলেন বেশি। ভ্যাপসা গরমের কারণে সড়কে মানুষের আনাগোনা ছিল স্বাভাবিক দিনের চেয়ে কম। অতি প্রয়োজন ছাড়া সড়কে কেউ আসেননি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানা যায় বৃহস্পতিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ছিল ০.৬৮ শতাংশ থেকে ৬৯ শতাংশ। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থেকে জানা যায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হলেও অনুভূত হয়েছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। ভ্যাপসা গরম আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলেও জানা যায়।
চিকিৎসকরা বলছেন এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ করে বাচ্চাদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে বেশি। বেশি গরমে বাচ্চাদের পাতলা পায়খানা, ডায়রিয়া বমি জ্বর বেশি হয়। বড়দের শরীর ঘেমে পানি শূন্যতা দেখা দেয় ডায়রিয়া পাতলা পায়খানা ও হয়। শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন নিজেকে গরম থেকে নিরাপদ রাখা।
শান্তিগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসক সৈকত দাস বলেন, মৌসুম পরিবর্তনের সময় এমন গরমে শিশুদের প্রতি যত্ন নিতে হবে বেশি। যারা মায়ের দুধ পান করে তাদেরকে বেশি বেশি করে মায়ের দুধ পান করাতে হবে। ছয় মাসের বেশি বয়স যাদের, তাদের মায়ের দুধের পাশাপাশি ফলের জুস ও তরল খাবার দিতে হবে। বড়রা বেশি বেশি করে পানি পান করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে প্র¯্র্রাবের পরিমাণ যেন কমে না যায়। যারা বাইরে কাজ করেন যতটুকু সম্ভব ছায়াতে থেকে কাজ করা। রোদে কাজ করলে মাঝে মাঝে বিশ্রাম নিয়ে নিয়ে কাজ করা উচিত।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন