প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৫
দিরাই উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯৩ জনের মধ্যে ৪৯ জন নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ যাচাইয়ে বাদ পড়েছেন ৪৪ জন। তাদের একজন দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের সুপ্রজিত দাস। সুপ্রজিতের বাবা সঞ্জিত কুমার দাস সরমঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং এর আগে ইউনিয়ন যুবদলের দুইবার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
সুপ্রজিত দাসের ভাই আকাশ দাস দাবি করেন, তার ভাই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় মেধাতালিকায় উপরের দিকে ছিলেন। তিনি বলেন, আমার ভাই প্রকৃত মেধাবী। দিরাইয়ের ৯৩ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীর যে কোনো একজনকে জিজ্ঞেস করলেই তাঁর মেধা ও পড়াশোনার বিষয়ে জানা যাবে। চিতলিয়া গ্রামের শিক্ষিত যুবক ও শিক্ষকদের কাছ থেকেও এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।
আকাশ দাস আরও বলেন, তার বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় কোনো অভিযোগ নেই এবং তিনি কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তার দাবি, দীর্ঘদিনের কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সুপ্রজিত চাকরির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছেন। নিয়মিত প্রায় ১৬ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন বলেও জানান তিনি।
সুপ্রজিত দাস দিরাই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, দিরাই সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
পরিবারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রসঙ্গে আকাশ দাস বলেন, তাদের বাবা সঞ্জিত কুমার দাস সরমঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং এর আগে ইউনিয়ন যুবদলের দুইবার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তাঁর বড় ভাই সুপ্রজিত কোনোদিন রাজনীতিতে জড়াননি বলে দাবি করেন তিনি।
আকাশ দাস আরও বলেন, আমার ভাই অত্যন্ত মেধাবী, সহজ—সরল ও পরোপকারী।
তিনি আরও বলেন, যারা বাদ পড়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে কী কারণে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। আমার ভাইয়ের ক্ষেত্রে যদি কোনো অভিযোগ বা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেটিও আমাদের জানানো উচিত।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন