প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:১৬
৩ জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা
শান্তিগঞ্জ উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক যুবকের ওপর হামলার ঘটনায় ছুরিকাঘাতে আরও দুই তরুণ গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের মাহমদপুর পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন ভাইকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
আহতরা হলেন— মাহমদপুর গ্রামের সুজন মিয়ার ছেলে সুমন হোসেন (১৮) ও একই গ্রামের ছুরাব আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (২৮)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাহিবুর রহমান নাইমও আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধের জেরে বেতকোনা গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে শাকিল আহমদের ওপর মাহমদপুর পয়েন্টে হামলা চালান নোয়াগাঁও গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে সাদিকুর রহমান, নাহিবুর রহমান নাইম ও মাহবুবুর রহমানসহ তাদের সহযোগিরা। এ সময় শাকিলের সাথে থাকা আরেকজনও হামলার শিকার হন বলে জানা গেছে। তার নাম পরিচয় জানা যায়নি। তাদের রক্ষা করতে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীদের ছুরিকাঘাতে সুমন ও রুবেল গুরুতর আহত হন। পরে উত্তেজিত মাহমদপুর গ্রামের লোকজন অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহন নেতা হাজি রিপন উদ্দিনের বাড়িতে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানা—পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মাহমদপুরসহ পুরো পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হাজি রিপন উদ্দিন বলেন, নোয়াগাঁও গ্রামের তিন ভাই মাহমদপুরে এসে আরেকজনের ওপর হামলা করেন। হামলা ঠেকাতে আমাদের এলাকার কয়েকজন এগিয়ে গেলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করা হয়। সুমন ও রুবেল গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের প্রথমে কৈতক হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে সিলেটে পাঠানো হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলী উল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন