সংঘর্ষের পাঁচ দিন পর আহত একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০৮:৩৮

শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের ঘোড়াডুম্বুর গ্রামে সংঘর্ষের পাঁচ দিন পর গুরুতর আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হওয়া ঐ ব্যক্তির নাম জুনু মিয়া (৩২)। তিনি ঘোড়াডুম্বুর ফকিরবাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল বাহারের ছেলে। শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।


জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে ঘোড়াডুম্বুর গ্রামের ছয় গোষ্ঠী ও হাজি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। গুরুতর আহত হন বেশ কয়েকজন মধ্যে একজন ছিলেন জুনু মিয়া। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জুনু মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় জুনু মিয়ার। তার দুইটি অবুঝ কন্যা সন্তান রয়েছে। 


ছয় গোষ্ঠীর পক্ষে মো. নূর মিয়া বলেন, আমি নিজেও আহত। ঘটনার দিন জুনু মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়েছে। কপালে দুইটি, মাথার এক সাইডে একটি শর্টগানের গুলি ছিলো। ঢাকার ডাক্তাররা আমাদের বলেছেন, মাথায় শর্টগানের গুলি আছে৷ ঘটনার পর চারটি বন্দুক দিয়ে আমাদের উপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছিলাম। আমাদের পক্ষের জুনু মিয়া সংঘর্ষের ঘটনায় মারা যাওয়ায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। জুনুর লাশ বাড়িতে আসার পথে রয়েছে। আগামীকাল জানাজা হবে।


শান্তিগঞ্জ থানার ওসি কাজী মুক্তাদির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আহত একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শান্তিগঞ্জ—জগন্নাথপুর থানার সার্কেল স্যারসহ আমি ঘটনাস্থ পরিদর্শনে যাচ্ছি। লাশ ময়নাতদন্তের পর প্রতিবেদন দেখে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার