প্রকাশিত: ০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৫৩
সংগৃহীত ছবি
বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের পর জ্বালানি তেলের দাম সামান্য বেড়েছে। তবে সপ্তাহ শেষে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১২ শতাংশ কমে যাওয়ার পথে রয়েছে। ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমিত হতে পারে—এমন প্রত্যাশায় তেলের বাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা দিয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দামকে আরও নিচে নামতে দিচ্ছে না।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের জানুয়ারির সরবরাহ চুক্তির দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৫৭ সেন্ট বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৯৯ ডলার ৮৬ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১ ডলার ১০ সেন্ট বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ ডলার ৬২ সেন্টে লেনদেন হয়েছে।
রয়টার্স জানায়, টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—উভয় ধরনের তেলের দাম।
তবে দৈনিক এই মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও সপ্তাহজুড়ে বড় দরপতনের আশঙ্কা কাটেনি। ৩০ অক্টোবর ডিসেম্বর মাসের সরবরাহ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ব্রেন্টের দাম এ সপ্তাহে প্রায় ১২ শতাংশ কমার পথে রয়েছে। অন্যদিকে ডব্লিউটিআইয়ের দাম কমতে পারে ১২ দশমিক ১ শতাংশ।
এর আগে বুধবার এক দিনেই অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা কমতে পারে—এমন প্রত্যাশা থেকেই বাজারে এই দরপতন ঘটে। ওই দিন দুই ধরনের তেলের দামই গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের অবসান বা উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা তেলের বাজারে স্বস্তি ফিরিয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা এখনো বাজারকে প্রভাবিত করছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র:যুগান্তর.কম
এসএ
আন্তর্জাতিক থেকে আরো পড়ুন