প্রকাশিত: ০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
বাইরের এলাকা থেকে আনা সবজি অনেক সময় তাজা পাওয়া যায় না। পরিবহন ও সংরক্ষণের কারণে নষ্ট হয় সতেজতাও। এমন পরিস্থিতিতে নিজ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে লাউ সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে সম্ভাবনা দেখাচ্ছেন ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের মাজু মিয়া। গ্রামের ঈদগাহ মাঠের কয়েক শতাংশ জমি লিজ নিয়ে সবজি চাষ করে তিনি গত বছর পেয়েছেন ৯০ হাজার টাকা লাভ। এ বছর এ পর্যন্ত খরচ বাদে প্রায় ৭০ হাজার টাকা আয় করেছেন তিনি।
মাজু মিয়া উপজেলার নওধার গ্রামের বাসিন্দা। গ্রামের ঈদগাহ মাঠের কয়েক শতাংশ জমি লিজ নিয়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরেই ভালো লাভ হওয়ায় এবারও একই ধারাবাহিকতায় সবজি চাষ করছেন তিনি।
চলতি মৌসুমে লাউ চাষের পাশাপাশি জমিতে চাল কুমড়ার চাষও করেছেন। এ পর্যন্ত লাউ বিক্রি করে উৎপাদন খরচ বাদে প্রায় ৭০ হাজার টাকা আয় করেছেন। লাউ চাষ শেষ হলে একই জমিতে করলা চাষের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
মাজু মিয়া বলেন, এলাকার মানুষকে তরতাজা সবজি দিতে পারছি এটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। সবজি চাষ করে আমি লাভবান। আমার মতো যদি অন্যরাও চাষ করে তবে লাভবান হবে। আমাদের এলাকার মানুষ শুধু ধান চাষ করে। কিন্তু ধানের চাষের পাশাপাশি জমিতে সবজি চাষ করেও লাভবান হওয়া যায়। ধান চাষে খরচ বেশি।
লাউ ক্ষেত দেখতে আসা স্থানীয় অনেকেই জানান, উনার কাছ থেকে আমরা তরতাজা লাউ পাই এবং বাজারে বাইরে থেকে আসা লাউয়ের চেয়ে আমাদের মাজু ভাইয়ের লাউয়ের স্বাদ বেশি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসয়াদ বিন খলিল রাহাত বলেন, স্থানীয়ভাবে সবজি উৎপাদনের এমন উদ্যোগে একদিকে যেমন কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে এলাকার মানুষের তাজা সবজির চাহিদা পূরণেরও সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি পতিত বা লিজ নেওয়া জমি কাজে লাগিয়ে কৃষিকাজে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছেন তিনি।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন