প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারি, ২০২৪ ০৮:০৩
সুনামগঞ্জ—১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, মধ্যনগর) আসনে তিন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মতই সকাল থেকে রাত অবধি প্রচারণায় থাকছেন তিন প্রার্থীর স্ত্রী। তাঁরা নিজের স্বামীর জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। নির্বাচনী এলাকার একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত চষে বেড়াচ্ছেন। স্বামীর পক্ষে উন্নয়নের ফিরিস্তি, গুণাবলি ও নানা প্রতিশ্রম্নতি জানিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। নির্বাচনী এলাকায় নারী ভোটারদের টার্গেট করেই গণসংযোগ, প্রচারপত্র বিলি ও উঠান বৈঠক তাদের। এর আগে কোন কোন জাতীয় নির্বাচনে এই আসনে প্রার্থীদের স্ত্রীদের ভোটের মাঠে এভাবে পদচারণা নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট রনজিত সরকারকে ভোটযুদ্ধে বিজয়ী করতে প্রচারে নেমেছেন তার স্ত্রী সুমা রানী সরকার। রনজিত সরকার একদিকে প্রচারণায় গেলে, অন্যদিকে যাচ্ছেন তার স্ত্রী। । তিনি নারী ভোটারদের বলছেন, তাঁর স্বামী নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন করবেন এবং নারীদের পাশে থেকে সেবা করবেন। তাঁর স্বামীকে অন্তত একবার হলেও নৌকা
রনজিতের প্রতিদ্বন্দ্বি মনোনয়ন বঞ্চিত বর্তমান সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তার স্ত্রী তানভি ঝুমুর। তাঁর স্বামীর উন্নয়নের চিত্র তুলে গ্রামের নারীদের একত্রিত করে স্বামীর জন্য কেটলি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন তিনি। ভোটারদের তিনি বলছেন, তাঁর স্বামী তিনবার এমপি ছিলেন। এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। আবারও কেটলি মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে সেবা করার সুযোগ দেয়ার জন্য অনুরোধ করছেন তিনি।
আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিম আহমদের স্ত্রী সামিয়া বখত কাকলি তাঁর স্বামীর ঈগল প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য ঘরে ঘরে যাচ্ছেন। তিনি নারী ভোটারদের বলছেন, তাঁর স্বামী একজন সৎ এবং ভালো মনের মানুষ। তিনি মহামারী করোনা এবং বন্যার সময় অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। মসজিদ মাদ্রসায় তাঁর সাধ্যমত দান করছেন। নির্বাচনে ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।
এই তিনজনের প্রচার—প্রচারণায় নারীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নারী ভোটাররা প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করতে না পারলেও তাদের স্ত্রীদের কাছে এলাকার উন্নয়নের জন্য দাবি তুলছেন। স্ত্রীরা আশ^াস দিচ্ছেন নির্বাচিত হলে দাবি পূরণের।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন