চার প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি, ২০২৪ ০৭:০৫

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ এখনো কাটেনি। এই নির্বাচনের আলোচনা শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আলোচনা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চ মাসে শুরু হতে পারে উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচন। এ নির্বাচনে শান্তিগঞ্জ উপজেলা থেকে চারজন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমদ, সুনামগঞ্জ সদর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বোরহান উদ্দিন দোলনের নাম উঠে এসেছে আলোচনায়। পছন্দের নেতাকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেখতে চেয়ে তাদের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, দোয়া চাইছেন। অনুসারীদের এমন পোস্টের সাথে সংহতিও জানাচ্ছেন কেউ কেউ। তবে ‘প্রেক্ষাপট’ কি দাঁড়ায় সেদিকে তাকিয়ে আছেন উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ। নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না এমন কথা সরাসরি না বললেও প্রার্থী হতে হলে অনেক ‘যদি’ দাঁড় করিয়েছেন উপজেলার জনপ্রিয় এই রাজনীতিক।

বিএনপির এই নেতা আওয়ামী লীগ বিরোধী ভোটারদের কাছে জনপ্রিয়। জনপ্রিয়তার দিক থেকে কোনো কমতি নেই আবুল কালামেরও। ২০১৪ সালের নির্বাচনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। উপজেলায় আলাদা একটি ভোট ব্যাংক আছে তার। তরুণ ভোটারদের মাঝে বাড়তি উদ্দীপনা আছে ভাইস চেয়ারম্যান নূর হোসেনকে নিয়ে। বড় ভোটের ব্যবধান নিয়ে ২০১৮ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের আশির্বাদপুষ্ট এই নেতা। উপজেলা যুবলীগ সভাপতি অ্যাড. বোরহান উদ্দিন দোলনও জনপ্রিয় যুবনেতা। উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ তার পক্ষে এর আগেও উপজেলা নির্বাচনে একাট্রা ছিলেন। এই চারজনকে ঘিরে আলোচনা ক্রমশ সরগরম হচ্ছে উপজেলাজুড়ে। কেবল তারাই চেয়ারম্যান পদে লড়বেন, না কি প্রার্থীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে তা জানতে হলে আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে ভোটারদের।
নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করে ভাইস চেয়ারম্যান নূর হোসেন বলেন, আমি শুরু থেকেই মাঠে আছি। কাজ করছি। আমার অভিভাবক আছেন। নেতা আছেন। আমার নেতা এম এ মান্নান মহোদয়ের পরামর্শ নিয়েই যা করার করবো।


যুবলীগের সভাপতি বোরহান উদ্দিন দোলন বলেন, আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং শতভাগ আশাবাদী নৌকা আমিই পাবো। জনগণ আমাকে ঘিরে আলাদা করে স্বপ্ন দেখেন। আমি নির্বাচনমুখী মানুষ।


নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম বলেন, সমর্থকেরা আমাকে চাচ্ছেন যেনো আমি নির্বাচন করি। তাদের চাওয়াকে আমি সম্মান জানাই। তবে, যদি নেত্রী আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে নৌকা দেন, তাহলে আমি নির্বাচন করবো। না হলে নির্বাচনে যাবো না। আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ বলেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাহলে আমি প্রার্থী হতে পারি। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে আমি যাবো না।


প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দেশব্যাপী পাঁচ ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ১০ মার্চ। শান্তিগঞ্জ (তৎকালীন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) উপজেলায় ১ম ধাপে নির্বাচন হয়েছিলো। এ বছর শান্তিগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৪২ হাজার ভোটার ভোট দিবেন।
 

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার