প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৩ ০৮:১৮
জেলায় বিভিন্ন ধরনের আম বিক্রি হচ্ছে সর্বনি¤œ ৩৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা দরে। বাজার ছাড়াও শহরের বিভিন্ন অলিগলি ও পাড়া-মহল্লায় ভ্যানে আম বিক্রি করা হচ্ছে। দাম নাগালের মধ্যে থাকায় ক্রেতারা বেশ খুশি।
জানা যায়, প্রতিকেজি আ¤্রপালি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আইশনা প্রকার ভেদে ৩৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আবার কখনও প্রতিকেজি আম পাঁচ থেকে ১০ টাকা কম দামেও বিক্রি হয়।
শহরের আলফাত স্কয়ার এলাকার কয়েকজন ফল বিক্রেতা জানান, চলতি বছর দেশের বিভিন্ন জেলায় আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। চাহিদার তুলনায় বেশি আম উৎপাদিত হওয়ায় এবং আমে পোকা না থাকায় নষ্ট হয়েছে কম। দাম কম থাকায় ক্রেতারা অন্য ফলের চেয়ে আম কিনছে বেশি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোক্তারা বিদেশি ফল না কিনে দেশি ফলের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে আম এবং পেয়ারা ফল বেশি কিনছেন ভোক্তারা। ছাতক উপজেলায় কর্মরত শ্রমিক আমির হোসেনের বাড়ি তাহিরপুরের বাদাঘাট এলাকায়। সোমবার সুনামগঞ্জ পৌর শহরে তিনি এসেছেন ফল কিনতে। এদিক সেদিক ঘুরে ৭০ টাকায় এক কেজি পেয়ারা কিনেছেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্যান্য ফলের দাম বেশি। আমি বাড়িতে যাচ্ছি। এক কেজি পেয়ারা কিনেছি, দামটাও কম।
মধ্যনগর থেকে এসেছেন চন্দন সরকার। সুনামগঞ্জ শহরের নতুন পাড়ায় মেয়ের বাসায় যাবেন তিনি। তিনি ৩ কেজি আইশনা আম ১০০ টাকায় কিনেছেন। চন্দন সরকার বলেন, মেয়ের বাসায় যাচ্ছি। অন্যান্য ফল দাম বেশি থাকায় ৩ কেজি আম কিনেছি।
পাইকারি ফল ব্যবসায়ী সামসুল ইসলাম সমসু বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে আমের দাম একই রকম আছে, দাম বাড়েনি। কম দাম হওয়ায় সন্তুষ্ট ক্রেতারাও। আ¤্রপালি ৮০-৯০ টাকা কেজি এবং আইশনা ২৮-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, বাহিরের ফলের দাম একটু বেশি হবেই। এর কারণ হচ্ছে, পাইকাররা বাইরের জেলা থেকে ফল কিনতে হয়। তবে সিন্ডিকেট করে যদি দাম বাড়িয়ে বিক্রি করে থাকেন, তাহলে আমরা আইন প্রয়োগ করব।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন