প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪ ২২:৫৩
আরবী শিক্ষার জন্য ক্করিয়ানাতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী
রমজান মাসে তাহিরপুরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার একেবারেই কম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাধরণত উপস্থিতির হার ১৫ থেকে ২০ ভাগ- এরমধ্যেও বিদ্যালয়ে আসা শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে বলে, স্যার রোজা রাখছি ক্লান্ত হয়ে গেছি— বাসায় চলে যাই। আবার অনেকেই ভর্তি হয়েছে আরবী শিক্ষার জন্য ক্করিয়ানাতে।
তাহিরপুর উপজেলাতে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসাসহ মোট ২৭টি ও প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের বড়দল উচ্চ বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ১৫ থেকে ২০ ভাগ। যারা বিদ্যালয়ে আসে, তারাও এসে বলে স্যার রোজা রেখে ক্লান্ত হয়ে গেছি— বলে ছুটি চায়। এমতাবস্থায় তাদের ছুটি দিতে হয়।
তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ ইয়াহিয়া তালুকদার বলেন, বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের উপস্থিতি একেবারেই কম। ছাত্রীরা উপস্থিত না থাকলেও আমাদের সকল শিক্ষককে বাধ্য হয়েই বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হয়।
আনোয়ারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিমল চন্দ্র দে বলেন, ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থিতির হার ২০ থেকে ২৫ ভাগ। তিনি আরও বলেন, ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার কম থাকলেও বিদ্যালয়ে আমাদের ঠিকই উপস্থিত থাকতে হয়।
শাহগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুবাশ্বির আলী বলেন, শাহগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রমজান মাসে মুসলিম শিক্ষার্থীরা একবারেই আসে না। এমতাবস্থায় অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পাঠদান করতে হয়।
জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সহ সভাপতি মুদাচ্ছির আলম সুবল বলেন, তাহিরপুর উপজেলাতে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসাসহ মোট ২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রমজানমাসে সবগুলো প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিতির হার একবারেই কম।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন