প্রকাশিত: ১২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:২৯
জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ। নেতাকর্মীরা বিস্মিত-ক্ষুব্ধ
জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮টি ওয়ার্ডে ৪ ঘন্টার ব্যবধানে পৃথক ভাবে ১৭টি কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে দলীয় নেতা—কর্মীদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় বইছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হাজী চাঁন মিয়া ও যুগ্ম আহবায়ক কয়েছ উদ্দিনের যৌথ স্বাক্ষরে ওই ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডেই বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
অন্যদিকে ৪ ঘন্টার ব্যবধানে একই ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে ৮টি ওয়ার্ডে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আনহার মিয়া, নুরুজ্জামান নুর, দুরুজ্জামান ও আলমগীরের যৌথ স্বাক্ষরিত পৃথক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এদিকে পৃথক এই কমিটিগুলোর অনুমোদন নিয়ে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে বিরোধ তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন ও বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দলীয় প্রার্থী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হাজী চাঁন মিয়া ও যুগ্ম আহবায়ক কয়েছ উদ্দিনের সঙ্গে একই কমিটির সদস্য আনহার মিয়া ও নুরুজ্জামান নুরের মধ্যে দলীয় বিরোধ দেখা দেয়। এরপর থেকে রানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির মধ্যে গ্রুপিং তৈরি হয়। যার বহিঃপ্রকাশ হলো এ ডাবল ওয়ার্ড কমিটিগুলো।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হাজী চাঁন মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
অপরদিকে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নুরুজ্জামান নুর বলেন, উপজেলা বিএনপির নির্দেশনা ছিল ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কের নেতৃত্বে সিনিয়র সকল সদস্য ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে তৃণমূলের ত্যাগীনেতা কর্মীদের দিয়ে কমিটি গঠন করতে। কিন্তু ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক প্রতিটি ওয়ার্ডে পকেট কমিটি গঠন করেছেন। তাই আমরা ত্যাগী নেতাকমীদের মূল্যায়ন করতে পাল্টা কমিটি অনুমোদন দিয়েছি। তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা উপজেলা নেতৃবৃন্দ কে অবহিত করেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডে ১৭ কমিটি গঠনের বিষয়টি শুনেছি। দুই পক্ষের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আমরা সাংগঠনিক সফরে গিয়ে বিষয়টি দেখব।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন