প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:১৭
নজরুল বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে নৃত্যম নৃত্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী নৃত্য কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠান হয়েছে। শনিবার বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কত্থক নৃত্যশিল্পী, নৃত্য পরিচালক, কোরিওগ্রাফার ও নৃত্য প্রশিক্ষক মুনমুন আহমেদ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট হাফিজা ফেরদৌস লিপন, অ্যাডভোকেট শামীম আশরাফ, সংগঠনের উপদেষ্টা কবি সুখেন্দু সেন, প্রাক্তন অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ এবং নৃত্যম নৃত্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অহনা এষ।
অনুষ্ঠানে অহনা এষ বলেন, আমার প্রিয় সংগঠন নৃত্যম নৃত্যালয়ের উদ্যোগে এই নৃত্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালায় সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার নৃত্যশিল্পীরা অংশগ্রহণ করেছেন। সংগঠনটি প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন করে সফল হয়েছে। কর্মশালায় অংশ নেওয়া ৮০ জন নৃত্যশিল্পীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে।
প্রধান আলোচক মুনমুন আহমেদ বলেন, প্রত্যেকটি বিষয়ের ধারাবাহিকতা থাকলে সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। নৃত্যম নৃত্যালয়ের এই কর্মশালা প্রতি দুই মাস পরপর চলমান রাখা খুবই প্রয়োজন। অহনা এষের পাশে যারা আছেন, তাদের সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।তিনি নৃত্যম নৃত্যালয় ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যা শেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রতিটি শিশু তা আয়ত্ত করার চেষ্টা করেছে এবং ভালো করেছে। যারা শিশুদের নিয়ে এসেছেন, তারা তাদের শেখানোর উদ্দেশ্যেই নিয়ে এসেছেন। এ কারণেই শিশুরা শেখার সুযোগ পেয়েছে।
নৃত্যচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে মুনমুন আহমেদ বলেন, নাচ শিখে অনেক কিছু করা সম্ভব। নৃত্য শেখানোর সুবাদে আমি বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশ সফর করেছি। রবীন্দ্রনাথের সময় নাচকে সমাজে অনেকটা বিরূপভাবে দেখা হতো। এখন সেই অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। নৃত্যচর্চার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ—প্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকে, তাই নাচ সবার জন্যই উপকারী।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারীনেত্রী সঞ্চিতা চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর আরতি তালুকদার, প্রথমআলোর নিজস্ব প্রতিবেদক খলিল রহমান, বিমল বণিক, উমা চক্রবর্তী, শিপ্রা পাল, শিউলী বণিক, নৃত্য প্রশিক্ষক শ্রাবন্তী পুরকায়স্থ, পূর্ণিমা কর্মকার, পিংকি দাস, বিধান বণিক, সামির পল্লব, রিপন চন্দ, রূপালী এষ, সিদ্ধার্থ এষ প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে কর্মশালায় অংশ নেওয়া নৃত্যশিল্পীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন অতিথিরা।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন