প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:১৯
বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। আলোচনা সভায় বক্তারা তাঁর জীবন দর্শন, মানবিক চেতনা এবং বাংলা লোকসংগীতে অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হয়।
জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাসাসের আহ্বায়ক শেরগুল আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লোকসংস্কৃতি গবেষক সুভাষ উদ্দিন, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক খলিল রহমান, সাংবাদিক লতিফুর রহমান রাজু ও বাউল সমিতির সভাপতি বাউল তছকির আলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, শাহ আবদুল করিম শুধু একজন বাউল শিল্পী ছিলেন না, তিনি ছিলেন গ্রামবাংলার মানুষের জীবন, সংগ্রাম, প্রেম, বিরহ ও মানবিকতার কণ্ঠস্বর। তাঁর গান ও দর্শনে সমাজের বৈষম্য, অন্যায়—অবিচার, শোষণ ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী চেতনা ফুটে উঠেছে।
বক্তারা আরও বলেন, সহজ—সরল ভাষায় মানুষের কথা বলার মধ্য দিয়ে শাহ আবদুল করিম বাউল গানকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে নিয়ে গেছেন। তাঁর গান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।
আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বাউল শিল্পীরা শাহ আবদুল করিমের লেখা বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। গান পরিবেশনের সময় হাছন রাজা মিলনায়তনে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন