প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২২
‘ইবার আরও বেশি মানুষ। কোন অনুষ্ঠান নেই, তবুও নানা স্থান থেকে এসেছেন বাউল ভক্তরা। দল বেঁধে ট্রলারে করেই বেশি এসেছেন বাউল করিমের গানের পাগলেরা। কোন কোন ট্রলারে আছে সাউন্ড বক্সও। ঘাটে নৌকা নোঙর করে যে যার মত করে গাইছেন—আনন্দ করছেন’।
.jpeg)
উজান ধল গ্রামের তরুণ মিলাদ আহমদ বাউল স¤্রাট শাহ্ আব্দুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে শাহ আব্দুল করিমের উজান ধলের বাড়ির বর্ণনা এভাবে দিচ্ছিলেন।
ধল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক দীন ইসলাম বললেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসেছেন ভক্তরা। ধল বাজারেও শুক্রবার থেকেই মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে।
.jpeg)
শাহ্ আব্দুল করিমের ছেলে শাহ্ নূর জালাল বললেন, ঘটা করে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন নেই। কিন্তু বাড়িতে মানুষের উপস্থিতির কমতি নেই। দিনে মিলাদ মাহ্ফিল হয়েছে, রাতে গান হবে।
অসংখ্য জনপ্রিয় বাউল গান ও গণসংগীতের রচয়িতা বাউল শাহ আব্দুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল শনিবার। কিংবদন্তিতুল্য এই শিল্পী ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর সর্বস্তরের বিশেষ করে সাধারণের কাছে আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন বাউল শাহ আব্দুল করিম। ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়াারি বাউল শাহ আব্দুল করিম দিরাই উপজেলার ধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন