প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৩৯
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বাগুয়া গ্রামে হাঁস নিয়ে দ্বন্দ্বে ওমান প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের পর করা মামলায় জামিন পেয়ে বাদী ও ভুক্তভোগী পরিবারকে আসামীপক্ষের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে হামলার বিচার ও একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার স্ত্রীর নিরাপত্তার দাবি জানান বক্তারা।
রবিবার দুপুরে উপজেলার সাতগাঁও নতুনবাজারে এলাকাবাসীর ব্যানারে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
.jpg)
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আহত সানজিদা বেগমের বাবা জমির আলী, শাহাবুল মিয়া, বাবলু মিয়া, সাব্বির আহমদ, মো. জহুর আলী, মো. মুজিবুর রহমান, আব্দুল কাদির, শাহ আলম, একরুম মিয়া ও আনসার আলীসহ স্থানীয়রা।
বক্তারা বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে বাগুয়া গ্রামের ওমান প্রবাসীর স্ত্রী সানজিদা বেগমের নয়টি পালিত হাঁস চলে যায় যুবলীগ নেতা আবু সাঈদের খামারে। সানজিদা হাঁসগুলো আনতে গেলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির পর সানজিদার উপর হামলা করে গুরুতর আহত করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আট বছর বয়সী মেয়ে তাহমিদা আক্তারও আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সানজিদার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটে পাঠানো হয় বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
পরবর্তীতে এই ঘটনায় সানজিদার বাবা জমির আলী মামলা দায়েরের পর মো. মেহেদী, মো. তামিম, পিতা শামীম মিয়া, স্বপ্না বেগম, স্বামী শামীম মিয়া এবং শামীম মিয়া, পিতা কাঁচা মিয়াসহ অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন পেয়ে প্রকাশ্যে বাদী ও ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। একজন প্রবাসীর স্ত্রী ও তার পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বক্তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শামিম মিয়ার মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মো. আহমদ উল্লাহ ভূইয়া বলেন, মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন