প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:০৯
দিরাইয়ে স্কুল ছাত্রের ঝগড়ার জেরে দোকান ভাংচুর
দিরাইয়ে স্কুল ছাত্রের ঝগড়ার জের ধরে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপক্ষ বন্দুকসহ দেশীয় অস্ত্রসহ পাশের মিলনগঞ্জ বাজারে ওঠে মহড়া দেয়, প্রতিপক্ষের একটি দোকান ভাংচুর করে। এসময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকাগুলিও ছুঁড়া হয়েছে। উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের টঙঘর ও তারাপাশা গ্রামের মধ্যে সোমবার দুপুরে এই উত্তেজনা ছড়ায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় আলহাজ¦ আব্দুল মতলিব উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর ঝগড়াকে কেন্দ্র করে গেল কয়েকদিন ধরেই স্কুলের পাশের টঙ্ঘর গ্রামের ইসমাইল খান ও তারাপাশা গ্রামের সাদিক, তাহিদ এর লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। তবে রবিবার রাতে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে মিলনগঞ্জ বাজারে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সোমবার দুপুরে হঠাৎ করেই টঙ্গরের লোকজন বন্দুকসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নৌকাযোগে কুলঞ্জ ইউনিয়নের মিলনগঞ্জ বাজারে মহড়া দেয়। এসময় তারাপাশার তাহিদ মিয়ার দোকান ভাংচুর করে প্রতিপক্ষের লোকজন। দোকানের ভেতরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। ইটপাটকেলের আঘাতে তারাপাশার রাজু মিয়া, সাদিক খাঁন ও মামুন মিয়া আহত হন।
এ সময় তারাপাশা গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দুল তাহিদের জুতা ও কাপড়ের দোকান ভাঙচুর এবং ফাঁকা গুলি ছোড়া হয় বলে তারা জানান। তবে গুলি ছোড়ার কোনো অভিযোগ পুলিশ পায়নি বলে জানিয়েছে।
এ বিষয়ে ইসমাইল খান বলেন, আমার ছোট ভাইকে তারাপাশা গ্রামের সাদিক ও তাহিদের লোকজন মারধর করেছে। ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। যতটুকু শুনেছি, আমাদের লোকজন বাজারে গিয়েছিল। তবে ভাঙচুর বা গোলাগুলির কোনো ঘটনা ঘটেছে— এমন কথা আমি শুনিনি।
দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, টঙ্ঘর ও তারাপাশা গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। টঙ্ঘরের লোকজন মিলন বাজারে এসে একটি দোকান ভাংচুর করেছে। অন্যপক্ষ ধৈর্য্য ধারণ করায় সংঘর্ষ হয় নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে জড়িত কাউকে পায় নি। সোমবার বিকাল থেকে মিলনবাজারের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন