প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৫৫
শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নে তিনটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ইসলামি জ্ঞান প্রতিযোগিতার ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘সহায়তা ইউকে দরগাপাশা’র উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় ইউনিয়নের আব্দুর রশীদ উচ্চ বিদ্যালয়, ইশাখপুর শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং সপ্তগ্রাম হালদার কান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
দরগাপাশা গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সহায়তা ইউকে দরগাপাশার স্বেচ্ছাসেবক মশিউর রহমান রাজার সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, জেলা বিএনপির অপর সদস্য ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ, শান্তিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির হাফিজ আবু খালেদ, সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসেন, ইশাখপুর শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়ারিস উদ্দিন, আব্দুর রশীদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিন, শিক্ষানুরাগী দিলদার চৌধুরী, নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, ফরিদ গাজী, হাসান আহমেদ ও আবু তালেব।
এ সময় আব্দুর রশীদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুখময় দাস, শিক্ষানুরাগী মো. জিয়াউল হক চৌধুরী, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাশুক আলী, তানভীর চৌধুরী ইমন, মনফর উল্লাহ, নুরাই উল্লাহ, আব্দুস সাত্তার, ফটিকমিয়া, সহায়তার স্বেচ্ছাসেবক ফয়সাল আহমদ, রেজাউল হক, সুয়েব আহমেদ ও সাদ্দাম চৌধুরী সহ বিভিন্ন শ্রেণি—পেশার মানুষ, শিক্ষক—শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতায় সপ্তগ্রাম হালদার কান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফলে প্রথম হয়েছেন মোছা. ফাবিহা সুলতানা। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন সাইদ আহমদ শাওন এবং তৃতীয় স্থান দখল করেছেন উরমিনা বেগম। আব্দুর রশীদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মিথিলা চৌধুরী, দ্বিতীয় হয়েছেন মো. নিহাদ আহমদ এবং তৃতীয় হয়েছেন তানহা তালুকদার। ইশাখপুর শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম হয়েছেন কাজী শামছিয়া মীম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছরন যথাক্রমে তাওহিদা জান্নাত ও মোছা. সানজিদা বেগম।
তিন বিদ্যালয়ের ফলাফল সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন মিথিলা চৌধুরী। ৬০ নম্বর পেয়ে তিনি যৌথ প্রতিযোগিতার শ্রেষ্ঠ বিজয়ী হন তিনি। ৫৮ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন মো. নিহাদ আহমদ এবং ৪৭ নম্বর পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন তানহা তালুকদার। সব শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি মেধা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই, আগামীতেও এ ধরণের প্রতিযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন