প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:০০
সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়
এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ—৫ প্রাপ্ত সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ২৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মহিবুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সুনামগঞ্জ—৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নাদির আহমেদ, আকবর আলী ও মো. রেজাউল হক।
সহকারী শিক্ষক ইমরান হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন— বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সরকারি দিগেন্দ্র বর্মন কলেজের ইংরেজি প্রভাষক মশিউর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সদর মডেল থানার ওসি রতন সেখ প্রমুখ। অতিথি হিসেবে প্রথমআলোর নিজস্ব প্রতিবেদক খলিল রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অভিভাবকবৃন্দ এবং স্কুলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে শিক্ষার্থীদের নৃত্য পরিবেশন উপভোগ করেন অতিথিরা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ—৫ অর্জনকারী বিদ্যালয়ের ২৭ শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ এবং গৌরবের একটি দিন। এসএসসি পরীক্ষায় আমাদের ২৭ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ—৫ পেয়েছে। এইসব শিক্ষার্থীদেরকে আজকে সংবর্ধনা জানাতেই আমরা একত্রিত হয়েছি। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।
তারা কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তোমাদের এই অর্জন এবং সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়। এটি তোমাদের বাবা—মায়ের ত্যাগ, শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রম এবং বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের চর্চার ফসল। এই সাফল্য তোমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কিন্তু মনে রাখতে হবে, জিপিএ —৫ জীবনের চূড়ান্ত সাফল্য নয়। বরং এটি ভবিষ্যতের বড় স্বপ্ন গড়ার প্রথম ধাপ। তোমাদের সামনে অনেক অনেক পথ বাকি আছে। তোমরা চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, গবেষক, প্রশাসক হবে। যে পেশাতেই যাও না কেন, তোমরা নিজেদেরকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত করবে— এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন