প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৪
সংগৃহীত ছবি
কোষ্ঠকাঠিন্য শুধু পেট পরিষ্কার না হওয়ার সমস্যাই নয়। এর সঙ্গে অনেকের পেটফাঁপা, গ্যাস বা পেটে ভারি লাগার মতো অস্বস্তিও দেখা দেয়। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা থাকলে ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ফাইবার না থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে ফল খাওয়া হতে পারে সহজ একটি উপায়। ফলে থাকা ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক চলাচলে সহায়তা করে। তবে ফল খেলেই সমস্যা পুরোপুরি দূর হবে না। পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত হাঁটাচলাও জরুরি।
পাকা পেঁপে
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পাকা পেঁপে বেশ উপকারী হতে পারে। এতে থাকা ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক চলাচলে সহায়তা করে। সকালের নাশতায় কবা দিনের অন্য সময়ে এক বাটি পাকা পেঁপে রাখা যেতে পারে।
পেয়ারা
পেয়ারাতেও রয়েছে ভালো পরিমাণ ফাইবার, যা পেটের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। তবে একসঙ্গে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।
আপেল
আপেলের খোসায়ও ফাইবার রয়েছে। তাই ভালোভাবে ধুয়ে খোসাসহ আপেল খেতে পারেন। তবে কোনো ফল খাওয়ার পর যদি গ্যাস বা পেটফাঁপার মতো সমস্যা বাড়ে তাহলে পরিমাণ কমিয়ে শরীরের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী খাওয়া উচিত।
কমলালেবু
কমলালেবুতে পানি ও ফাইবার- দুটিই রয়েছে। ফলে এটি শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করার পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ফাইবারও যোগ করে। তবে জুসের বদলে গোটা কমলালেবু খেলে ফাইবার বেশি পাওয়া যায়।
কিউই
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কিউই খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সহায়তা করতে পারে। তাই সুযোগ থাকলে ফলের তালিকায় কিউইও রাখা যেতে পারে।
তবে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে শুধু খাবারের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে তীব্র পেট ব্যথা, রক্তপাত, অস্বাভাবিক ওজন কমে যাওয়া বা হঠাৎ দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি
বিশেষ সংখ্যা থেকে আরো পড়ুন