প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৮
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর—ধোপাখালী সড়কের মাঝখানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা চারটি বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণে নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর—এ সংবাদ প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেছেন পৌরসভা ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে পৌর শহরের ষোলঘর—ধোপাখালী সড়কের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম কয়েস, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
এর আগে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম ষোলঘর—ধোপাখালী সড়ক প্রশস্ত করার সময় সড়কের মাঝখানে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অপসারণ না করায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। প্রায় এক বছর আগে সড়কটি প্রশস্ত করা হলেও এখনও চারটি বৈদ্যুতিক খুঁটি সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
পরিদর্শনকালে সড়কের মাঝখানে থাকা চারটি বৈদ্যুতিক খুঁটির কারণে যানবাহন চলাচলে সৃষ্ট সমস্যা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এসময় দ্রুত খুঁটিগুলো অপসারণ করে জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ শর্মা বলেন, আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজটি সমাধান করে দেওয়ার চেষ্টা করব। পৌরসভা যেহেতু আমাদের সহযোগিতা করছে, আমরাও বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক বলেন, বিদ্যুতের খুঁটি নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি—পেশার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিরক্তি প্রকাশ করছেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদও প্রকাশ হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা সরেজমিনে এসেছি। উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাতেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও পৌরসভা—দুইটি প্রতিষ্ঠানই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা খুব দ্রুত এর সমাধান করতে চাই। যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে এর দায়—দায়িত্ব কে নেবে? বিষয়টি সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
তিনি বলেন, কীভাবে দ্রুত সমস্যাটির সমাধান করা যায়। জটিল কোনো প্রক্রিয়ায় গেলে পৌরসভার পক্ষে পুরো ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। তারপরও মানুষের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা করে আমরা যতটা সম্ভব সহযোগিতা করব। বিদ্যুৎ বিভাগও সহযোগিতা করছে। আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন