প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩৯
সংগৃহীত ছবি
ভিডিও ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। নির্মাতারা এখানে ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে দর্শক ও ভিউ বাড়ানোর পাশাপাশি আয়ও করে থাকেন। তবে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আয়ের পথ আরও কঠিন করতে যাচ্ছে ইউটিউব।
ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম (ওয়াইপিপি)-এর আওতায় বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার যোগ্যতার শর্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন নিয়মের ফলে প্ল্যাটফর্মে নতুন করে যুক্ত হওয়া নির্মাতাদের ইউটিউব থেকে আয় শুরু করতে আগের তুলনায় দ্বিগুণ ভিউ বা ওয়াচ আওয়ার অর্জন করতে হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইউটিউবের বিজ্ঞাপন আয়ের অংশ পেতে একজন নির্মাতাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিম্নোক্ত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। নতুন নিয়ম ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বর্তমানে ইউটিউবের বিজ্ঞাপন আয়ের অংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রচলিত শর্ত হলো গত ১২ মাসে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার অথবা শেষ ৯০ দিনে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) ‘শর্টস’ ভিউ, পাশাপাশি ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার। অর্থাৎ নতুন নিয়ম কার্যকর হলে ওয়াচ আওয়ার ও ‘শর্টস’ ভিউ; দুই ক্ষেত্রেই যোগ্যতার সীমা দ্বিগুণ হয়ে যাবে।
নতুন নিয়মটি মূলত নতুন নির্মাতাদের ওপর প্রভাব ফেলবে। যারা ইতোমধ্যে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব পড়বে না। তবে যারা আগামী বছর ইউটিউবকে আয়ের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে কনটেন্ট তৈরির পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য নতুন শর্ত পূরণ করা তুলনামূলক কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে কম সাবস্ক্রাইবার ও সীমিত দর্শকসংখ্যা নিয়ে কাজ করা নতুন নির্মাতাদের আরও বেশি সময় ধরে দর্শক তৈরি করতে হতে পারে।
কেন নিয়ম পরিবর্তন করছে ইউটিউব?
নিয়ম পরিবর্তনের বিষয়ে ইউটিউবের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে নতুন নীতির ফলে বিজ্ঞাপন আয়ের অংশ পাওয়ার আগে নির্মাতাদের কাছ থেকে আরও বেশি দর্শকসংখ্যা ও ওয়াচ আওয়ার অর্জনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এতে প্ল্যাটফর্মে আয় করার যোগ্যতা অর্জনের আগে নির্মাতাদের আরও বড় পরিসরে দর্শক তৈরি করতে হবে।
ইউটিউবের নতুন নিয়মের কারণে অন্য ভিডিও ও কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলো নতুন নির্মাতাদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। এর মধ্যে মেটার মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামও একটি সম্ভাব্য বিকল্প। ইউটিউবের তুলনায় ইনস্টাগ্রামে কনটেন্ট থেকে আয়ের সুযোগ ও কাঠামো ভিন্ন। ফলে নতুন নির্মাতারা ইউটিউবের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে দর্শক তৈরির দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি
বিশেষ সংখ্যা থেকে আরো পড়ুন