প্রকাশিত: ০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৫৭
সংগৃহীত ছবি
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বড় ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। ফিল্ডিং করতে গিয়ে বাঁ পায়ের গোড়ালিতে গুরুতর চোট পেয়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। ব্যথায় দাঁড়াতে না পারায় তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেওয়া হয়। পরে নেওয়া হয়েছে হাসপাতালে। তার চোটের অবস্থা জানতে এমআরআই করানো হবে।
ঘটনাটি ঘটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ৭৮তম ওভারে। মেহেদী হাসান মিরাজের করা প্রথম বলে আমির জাঙ্গু লেগ গ্লান্স করেন। বলটি ফাইন লেগের দিকে গড়িয়ে গেলে সেটি থামাতে দৌড় দেন সাদমান। সীমানার কাছাকাছি গিয়ে বল আটকানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ঘাসে পিছলে পড়ে যান তিনি। এ সময় তার বাঁ পায়ের গোড়ালি মাটিতে আটকে মচকে যায়।
সঙ্গে সঙ্গেই তীব্র ব্যথায় মাঠে পড়ে থাকেন এই ওপেনার। দ্রুত ছুটে আসেন দলের ফিজিও। বেশ কিছুক্ষণ প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে। জুতা খুলে ফেলার পরও ব্যথার কারণে মুখ ঢেকে রাখছিলেন সাদমান। একপর্যায়ে দেখা যায়, পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ানোর মতো অবস্থায়ও নেই তিনি। পরে স্ট্রেচার এনে মাঠ থেকে বের করা হয় তাকে। পায়ের ব্যথা ও ফোলাভাবের কারণে হাঁটতে পারছিলেন না সাদমান। এমনকি বসতেও হয়েছে হুইলচেয়ারে।
বাংলাদেশ দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘সাদমানের বাঁ পায়ের অ্যাঙ্কেল মচকে গেছে। এখন পর্যবেক্ষণে আছে। আমরা তাকে এমআরআই স্ক্যানিং করতে পাঠাব।’ এই টেস্টে সাদমানের আর ব্যাটিংয়ে নামা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। চোট গুরুতর হলে আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও তাকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।
সাদমান শেষ পর্যন্ত চলতি টেস্ট থেকে ছিটকে গেলে বাংলাদেশের জন্য তৈরি হবে বাড়তি সমস্যা। কারণ, ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী মাথায় আঘাতজনিত কনকাশনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে বদলি খেলোয়াড় নেওয়া যায়। গোড়ালির চোটের কারণে কোনো খেলোয়াড় মাঠের বাইরে চলে গেলে তার জায়গায় পূর্ণাঙ্গ বদলি নামানোর সুযোগ নেই। ফলে ব্যাটিংয়ে তাকে আর পাওয়া না গেলে কার্যত ১০ জন নিয়েই লড়তে হবে বাংলাদেশকে।
সূত্র: সমকাল
খেলাধুলা থেকে আরো পড়ুন