প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:১৬
রাজনৈতিক মঞ্চের বাগাড়ম্বর, সুশীল সমাজের চটকদার বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা কিংবা শহরের ঝলমলে রেস্তোরাঁর রঙিন আলোর আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকে এক চরম নির্মম সত্য। যে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রমে নামীদামি রেস্তোরাঁয় রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য সুস্বাদু খাসির বিরিয়ানি, পোলাও কিংবা কোফতা তৈরি হয় সেই শ্রমিকদের জীবনে কী পরিমাণ অমানবিক বঞ্চনা বিরাজ করছে, তার খবর কেউ রাখে না। রাজকীয় বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে দৈনন্দিন আড্ডায় যেসব হোটেল শ্রমিকের হাত না লাগলে সমাজের উচ্চবিত্তের এক মুহূর্ত চলে না, তাদের অধিকার কেবল ভোটের মৌসুমে রাজনৈতিক প্রতিশ্রম্নতির রঙিন ঝুড়িতে স্থান পায়। বাস্তবে তারা প্রচলিত রাষ্ট্র ও সমাজে অনালোকিত ও অনালোচিত কাঠামোগত সহিংসতার এক করুণ শিকার।
১. নিচুতলার মানুষ এবং রাজনৈতিক ব্যবহারের শিকার
হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা সর্বদাই ‘নিচুতলার মানুষ’ হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছে। ফলে তাদের ন্যায্য অধিকার বা ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের কাছে তাদের সামাজিক মর্যাদা নেই বললেই চলে, কিন্তু ভোটের সময় এলেই দৃশ্যপট বদলে যায়। সুললিত কণ্ঠে শোনা যায় রঙিন প্রতিশ্রম্নতি, শ্রমিকদের ভাগ্যোন্নয়নের সুন্দর সুন্দর বক্তব্য। কিন্তু নির্বাচন শেষ হতেই তারা আবার হারিয়ে যান বিস্মৃতির অতলে। রাজনীতিবিদদের নির্বাচনী পুঁজি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পর তাদের স্থান হয় সেই আগের বৈষম্যমূলক সমাজব্যবস্থার তলানিতে।
২. ‘কাজির গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই’
শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে সরকার ২০২৫ সালের ৫ মে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও মিষ্টি বেকারি শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন মজুরি ১৩,০৫০ টাকা নির্ধারণ করে একটি গেজেট প্রকাশ করে। এই গেজেটে কেবল ন্যূনতম মজুরিই নয়, বরং কর্মঘণ্টা ও ছুটির বিষয়েও সুস্পষ্ট নির্দেশিকা ছিল: প্রচলিত শ্রমআইনে নিয়োগপত্র—পরিচয়পত্র, সার্ভিসবুক প্রদান, দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মদিবস, অতিরিক্ত কাজে দ্বিগুণ মজুরি ও বছরে ২টি উৎসব বোনাস প্রদান, মজুরিসহ সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি, বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১৩ দিন উৎসব ছুটি, ১৪ দিন চিকিৎসা ছুটি, প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি, ১২০ দিন মাতৃত্বকালীন ছুটি ইত্যাদি অধিকার থাকলেও হোটেল সেক্টরে মূলতঃ তা বাস্তবায়ন করা হয় না।
প্রবাদ আছে ‘কাজির গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই’ ঠিক একইভাবে সরকারের গেজেট প্রজ্ঞাপনেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা বাস্তবানে মালিকপক্ষ বা প্রশাসন কারও বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই। শ্রম আইন ও গেজেট বাস্তবায়নে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নামের সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসকল দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন ভাতা পরিশোধ হয় এই হোটেল শ্রমিকদের পরোক্ষ কর বা ভ্যাট ট্যক্সের টাকায়। যে প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের কোন কাজে আসেনা এই সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের শ্রমিকের টাকায় লালন পালন কতটা যৌক্তিক এমন প্রশ্ন আজ প্রতিটি শ্রমিকের মনে।
৩. অমানবিক জীবনযাপন ও 'স্টাফ খাবার'—এর নামে উচ্ছিষ্ট বঞ্চনা
যে শ্রমিকেরা কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কায়িক পরিশ্রম করে অন্যের মুখে সুস্বাদু খাবার তুলে দেন, তাদের নিজেদের আহারের দৃশ্যটি অত্যন্ত করুণ। গ্রাহকদের পরিবেশন করা পুষ্টিকর বা সুস্বাদু খাবারের স্বাদ পাওয়া দূরে থাক, তাদের জন্য বরাদ্দ থাকে ‘স্টাফ খাবার’ নামক এক প্রকার নিম্নমানের ও অপ্রতুল উচ্ছিষ্ট। দীর্ঘ ক্লান্তিকর কাজ শেষে রাত যাপন করতে হয় স্যাঁতসেঁতে, দুর্গন্ধময় ও চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। কাকডাকা ভোরে সামান্য দেরি করে কাজে যোগ দিলে প্রতনিয়ত বেতন কেটে নেওয়া হয়, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সংকটাপন্ন করে তোলে।
৪. আইনগত অধিকার চাওয়ার শাস্তি নোটিশহীন ছাঁটাই
সংগঠিত হয়ে আইনি অধিকার দাবি করার কোনো সুযোগ বেশীরভাগ ক্ষেত্রে হোটেল শ্রমিকদের নেই। কোনো শ্রমিক নিজের কিংবা সহকর্মীদের ন্যায্য মজুরি বা ছুটির দাবি তুললেই তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়। কোনো প্রকার অগ্রিম নোটিশ বা শ্রমআইনের তোয়াক্কা না করেই অহরহ শ্রমিকদের বের করে দেওয়া হয়। এই ভয়ভীতি ও অনিশ্চয়তার সংস্কৃতি মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতাকে অনায়াসে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে।
৫. উৎসবের দিনে অর্ধাহার ও অমানবিক নিপীড়ন
ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা কিংবা দুর্গাপূজার মতো প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে রেস্তোরাঁ মালিকেরা নিজের পরিবারের জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করে জাকজমকপূর্ণ আয়োজন করেন এবং মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জন করেন। অথচ যাদের শ্রমে ঘামে মালিকের মুনাফার পাহাড় সেই হোটেল শ্রমিকদের জীবনে উৎসবের দিনগুলি এক অভিশাপ হয়ে নেমে আসে। উৎসবের বেতনের সমপরিমান বোনাস দুরে থাক এসময় শ্রমিকদের বিনাবেতনে ছুটি নিতে বাধ্য করা হয়,উৎসব ছুটি শেষে সময়মতো কাজে যোগদানের ফন্দি হিসেবে বকেয়া বেতন আটকে রাখা হয়। ফলে সমাজের অন্যান্য মানুষ যখন আনন্দে মেতে ওঠে, তখন হোটেল শ্রমিকদের দিন কাটে অর্ধাহারে ও অনাহারে।
৬. মালিকদের সীমাহীন মুনাফা ও রাষ্টে্রর নীরব প্রহরা
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের সাথে তাল মিলিয়ে এক কাপ চায়ের দাম ৫ টাকা থেকে বেড়ে ২০ টাকা হয়েছে, ৫ টাকার রুটি হয়েছে ১০ টাকা। রেস্তোরাঁর মেন্যুর দাম প্রতিনিয়ত বাড়লেও বাড়েনি কেবল শ্রমিকের মজুরি। শ্রমিকদের গায়ের ঘাম আর রক্ত পানি করা শ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে মালিকরা মুনাফার পাহাড় গড়ে তুলছেন। হোটেল শ্রমিকদের হাড়ভাঙ্গা খাটুনিতেই গড়ে উঠে মুনাফার পাহাড় ।
কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে মালিকের অবাধ্য হলে বা ন্যায্য পাওনা চাইতে গেলে শ্রমিকদের উপর নাজিল হয় ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা,,এমনকি প্রাণ হারানোর ঝুঁকিতেও পড়তে হয়। শ্রমিকদের ধারাবাহিক সংগঠিত আন্দোলন—সংগ্রামের ফলে কিছু কিছু ন্যায্য দাবি আদায় ও অধিকার অর্জিত হলেও হোটেল শ্রমিকদের যেমন নেই চাকরির নিশ্চয়তা, তেমনি নেই জীবনের নিরাপত্তা। শ্রমিকদের জীবন কতটা অনিশ্চয়তায় তা বুঝতে আর বাকি থাকে না যখন জানা যায়, সিলেটের কাজিরবাজারে হোটেল শ্রমিক দিনার আহমদ রুমনের নির্মম হত্যাকাণ্ড, মৌলভীবাজারে খানদানি রেস্টুরেন্টের শ্রমিক তামিম হত্যা, কিংবআ হোটেল মালিকের পিস্তলের গুলিতে ঢাকার ঘরোয়া হোটেলের শ্রমিক রিয়াদ হত্যকাণ্ড,এমনকি যশোরের নারী হোটেল শ্রমিক ছায়রা বানুকে নির্যাতন করে হত্যা করতেও দ্বিধা নেই মালিকদের । কিন্তু হত্যাকারী মালিক/ম্যানেজারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করায় স¤প্রতি ১৬—ই জুন রংপুরে আরেকজন হোটেল শ্রমিক শাওনকে একইভাবে হত্যা করা হয়।
শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকির সর্বসা¤প্রতিক উদাহরণ হল; ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত হিরাঝিল হোটেলের শ্রমিকদের উপর ২০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মালিকদের লেলিয়ে দেয়া ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা ঘটনা । অথচ শ্রমিকদের দাবির মূখে হিরঝিল হোটেল মালিক ১২— ই এপ্রিল থানায় বসে শ্রমিকদের সহিত চুক্তি করেছিল মজুরি গেজেট বাস্তবায়ন করবে বলে।মুনাফায় টান পরবে তাই মালিকের মুনাফার হার ঠিক রাখতে শ্রমিকদের উপর ঘটে এই সন্ত্রাসী হামল। রাষ্ট্র ও সরকার এ বিষয়ে নিরব । রাষ্ট্রের এই নিরবতায় হোটেল মালিকদের কাছে শ্রমিকের জীবন এতটা তুচ্ছ যে, চুন থেকে পান কষলে শ্রমিককে খুন করতে দ্বিধা নেই,শাওন নামের এই হতভাগা হোটেল শ্রমিক রংপুর খামারবাড়ি মোড়ে আলম হোটেলে কাজ করতেন সহকারী বাবুর্চি হিসেবে। হোটেলের রান্নার দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে। দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সাজন মিয়া (শাওন) আলম হোটেলে কাজ করে আসছেন।মালিকের ভাষ্য মত "ছেলেটা অনেক ভালো নিজের মতো করেই সে দোকানের হাড়ি—পাতিল ধোয়া থেকে শুরু করে সকল কাজ করে। কাজের জন্য তার কোন সময় অলসতা দেখি না।" কিন্তু হায়, এই মালিকের হাতুড়ির আঘাতে ১৬— জুন২০২৬ হোটেলের শ্রমিক শাওন খুন হয়ে গেল। শাওন তার পরিবারের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। শাওনের একটি কন্যাশিশু আছে। অবুঝ শিশুটি জানেনা তাঁর বাবা আর আসবেনা।
ছেলেকে হারিয়ে শাওনের স্ত্রীসহ বৃদ্ধ বাবা মা দিশেহারা। কিভাবে চলবে নিহত শাওনের পরিবার? বিশাল মুনাফার শক্তিতে মালিকপক্ষ আইনি যেকোনো ঝামেলা এড়াতে সক্ষম হন । বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে দামি আইনজীবী নিয়োগ করেন। আইনের শত ফাঁকফোকর গলে মালিকেরা বেকসুর খালাস পেয়ে যান। অন্যদিকে, রাষ্ট্র ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সাধারণ শ্রমিকের পক্ষে না দাঁড়িয়ে সর্বদাই ধনাঢ্য মালিকপক্ষের পাহারাদার ও রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করে। বঞ্চনা ও নিপীড়নের স্বীকার হয় হোটেল রেস্তোরা শ্রমিক ।
৭. লুম্পেন দালাল নেতৃত্ব ও নেতৃত্বের অভাব
সারাদেশে আনুমানিক ৪০ লক্ষ হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বেকারি শ্রমিক কাজ করছেন। বিশাল এই শ্রমিকগোষ্ঠী সুসংগঠিত না হওয়ার প্রধান কারণ হলো শহরাঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা লুম্পেন বা স্বার্থান্বেষী দালাল শ্রমিক নেতা। এই তথাকথিত নেতারা শ্রমিকের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে মালিকদের উচ্ছিষ্ট ভোগ করে এবং সমাজের কীট হিসেবে কাজ করে। এরা শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে দেয় না শ্রমিকদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং মালিকদের শোষণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে।
৮. কাঠামোগত সহিংসতা ও নিরব অকালমৃত্যু
হোটেল রেস্তোরাঁ ও বেকারি শ্রমিকদের এই পুঞ্জীভূত দুর্দশা কেবল কোনো একক অন্যায় বা অনিয়ম নয়; এটি একটি গভীর কাঠামোগত সহিংসতা (ঝঃৎঁপঃঁৎধষ ঠরড়ষবহপব)।
সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে উঠেছে যা এই বিপুল শ্রমিকগোষ্ঠীকে অনাহার, অপুষ্টি, চিকিৎসাহীনতা ও চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়। এই কাঠামোগত সহিংসতার কারণে প্রতিবছর বহু শ্রমিক নীরবে—নিভৃতে অনাহার, অর্ধাহার, অপুষ্টি, চিকিৎসাভাব এবং চরম অবহেলায় মারা যাচ্ছেন। অথচ মিডিয়া, সুশীল সমাজ বা রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে এই নীরব ঘাতক ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণ অনালোকিত ও অনালোচিত থেকে যাচ্ছে।
শ্রমিকদের পথ: সমাজ সচেতনতা ও সংগ্রামী চেতনার বিকাশ
এলিট শ্রেণীর প্রতিনিধি, সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ কিংবা সুশীল সমাজের করুণার মায়াকান্না হোটেল শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের সংকট সমাধান করতে পারবে না। কারণ তাদের স্বার্থ সরাসরি শোষক মালিক শ্রেণীর স্বার্থের সাথে যুক্ত। হোটেল রেষ্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিকদের এই বঞ্চনার মূলে রয়েছে প্রচলিত রাষ্ট্র ও সমাজ এবং রাষ্ট্র ও সমাজে মালিক শ্রেনীর আধিপত্য। মালিক শ্রেনীর এই আধিপত্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সমাজে শ্রমিক শ্রেনীর আধিপত্য কায়েম করতে হবে । ৪০ লক্ষ হোটেল শ্রমিকের এই তীব্র সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুর্ভোগ লাঘব করতে হলে:১ দালাল নেতাদের স্বরুপ উন্মোচন করে শ্রমিক আন্দোলন থেকে বিতাড়িত করতে হবে।২. : শ্রমিকদের সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হতে হবে রাজনীতি সচেতন এবং শ্রমিকদের মধ্য থেকেই সৎ, সংগ্রামী, শ্রেনী সচেতন অপসহীন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।৩. . ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠা করে সরকারি মজুরি গেজেট ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে।
নিজের অধিকার আদায়ের লড়াাই নিজেকেই করতে হবে ।এই সত্য অনুধাবন করে সংগঠিত আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই কেবল এই কাঠামোগত সহিংসতা ও পুঁজির শোষণের শেকল ভাঙা সম্ভব।
লেখক: — রাজনৈতিক কর্মী
উপসম্পাদকীয় থেকে আরো পড়ুন