পাবলো নেরুদা: ঐতিহ্য নির্মাণের কবি 

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৮

"কোনো দৃশ্যমান রক্তপাত ছাড়াই, গভীর ক্ষত নিয়ে

আমি তোমার জীবনের রশ্মি ধরে হেঁটে গেছি;

হঠাৎ দুর্ভেদ্য বনের মাঝখানে অঝোর বৃষ্টি

এক বুক আকাশ চিরে নেমে আসে আমার ওপর।"

( কোন দৃশ্যমান রক্তপাত ছাড়াই - পাবলো নেরুদা)

 

কলোম্বিয়ান ঔপন্যাসিক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মারকেজ এর মতে নেরুদা কুড়ি শতকের যে কোনও ভাষার অন্যতম কবি। পরাবাস্তববাদ যার হাতে সফলভাবে কর্ষিত হয়েছে। নেরুদার সাহিত্যকর্মে বিভিন্ন প্রকাশ শৈলী ও ধারার সমাবেশ ঘটেছে। পাবলো  নেরুদার  কবিতা সম্পর্কে  তিনি নিজেই একদা বলেছিলেন – “One by one, I have been leaving my books behind me, substituting, reconstructing form and meaning each time.”  গভীরভাবে পাঠ করলে তাঁর কবিতায় পাওয়া যায় নানান  শৈলী, শোনা যায় নানান স্বর। কবিজীবনের সায়াহ্ন পর্যন্ত তিনি বার-বার কাব্যিক ধরন বদলেছেন, নিজের সৃষ্ট ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে চলে গিয়ে আবার নতুন করে ঐতিহ্য নির্মাণ করেছেন। তাঁর রচনা বিংশ শতাব্দীর স্পেনীয় ও আমেরিকান কবিতার গুরুত্বপূর্ণ বিকাশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে। বহুমুখী কবিপ্রতিভা এবং কাব্যশৈলী পরিবর্তনের পরম্পরার  তাঁর কবিতার অনন্য  সংযোজন । 

 

 নেরুদার আসল নাম নেফতালি রিকার্দো রেয়েজ বোসোয়ালতো । কিশোর বয়সে যখন নেরুদা সাহিত্য জীবনের সূত্রপাত হয়, সেই সময় চেকোশ্লোভাকিয়ায় ইয়ান নেরুদা বলে একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন । তাঁর নামে ছদ্মনাম গ্রহণ করে নিজের নাম রাখেন পারলো নেরুদা ।নেরুদার জন্ম চিলিতে  ১২ই জুলাই ১৯০৪ সালে।  দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে স্বাধীন দেশ চিলি । ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রবাসী মানুষ আর স্থানীয় উপজাতিরাই গড়ে তুলেছে এই দেশ । এখানে মিশ্র-ভাষা গড়ে উঠলেও সাহিত্যের ভাষা স্প্যানিশ ।

 

তিনি দক্ষিণ চিলির তেমুকো গ্রামের পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছিলেন। চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কাজকর্ম করলেও সাহিত্যচর্চার নেশা তাকে পেয়ে বসেছিল প্রচন্ড ভাবে । তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ অসমাপ্ত থেকে যায়, বাবার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কারণে  তিনি চরম অর্থকষ্টের মধ্যে পড়েন। চিলির নোবেলজয়ী কবি গ্যাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল তাঁকে সাহিত্যপাঠে অনুপ্রাণিত করতেন। তাঁরই চেষ্টায় ১৯২৭ সালে নেরুদা রেঙ্গুনে কনসাল পদে নিযুক্ত হন। কিন্তু রেঙ্গুনে বাসকালীন আর্থিক অনটন, প্রেমিকার সঙ্গে বিচ্ছেদ, বিবাহে প্রেমহীনতা ইত্যাদি কারণে তিনি বিষণ্ণ বোধ করতেন। ১৯৩২ সালে তিনি স্বদেশে ফিরলেন এবং আর্জেন্টিনায় কনসাল নিযুক্ত হলেন। রাজধানী বুয়েনস এয়ারেস শহরে তিনি হোর্হে লুই বোর্হেস-সহ অনেক বিদগ্ধ মানুষের সংস্পর্শে আসেন ।‌ ১৯৩৩-এ বুয়েনস এয়ারেস-এ থাকার সময় নেরুদার সঙ্গে কবি ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকার পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়। পরের বছর তিনি যখন স্পেনে বদলী হয়ে আসেন তখন সেই বন্ধুত্ব গাঢ়তর হয়। তখন স্পেনে রিপাবলিকান সরকারের আমল। সে দেশের প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীরা তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেন। প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী মানোয়েল আলতোলাগিররে তাঁকে ‘সবুজ ঘোড়া’ (‘Caballo Verde’) পত্রিকাটি সম্পাদনার দায়িত্ব দেন। ১৯৩৪-৩৫ নাগাদ বার্সিলোনা ও মাদ্রিদে থাকাকালীন সময়টা নেরুদার কবিজীবনের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায়। তিনি সেই সময়ের স্পেনের অধিকাংশ কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে পরিচিত হয়ে যেন নিজের সৃজনশক্তিকে পুনরাবিষ্কার করলেন। তাঁর স্মৃতিকথায় এঁদের প্রতি অকুন্ঠ প্রশংসা আছে। এই সময়েই ‘Residencia en la tierra’-র (‘মাটির আবাসন’) বিখ্যাত কবিতাগুলি লেখা হয়েছিল। 

 

নেরুদা স্পেনে এসে সবই পেলেন – ‘মাটির আবাসন’-এর দ্বিতীয় মুদ্রণ প্রকাশিত হল, অর্থলাভ এবং বন্ধুসঙ্গও হল। কিন্তু স্পেনের এই সুখী জীবন বেশিদিন স্থায়ী হল না। ১৯৩৬ সালে ফ্যাসিস্ত ও গণতন্ত্রীদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের শুরুতেই পুলিশ হত্যা করল কবি-নাট্যকার লোরকাকে। ঘটনার আকস্মিকতায় বিমূঢ় নেরুদা সাময়িক বেদনা কাটিয়ে উঠে হাতে তুলে নিলেন কলম। তিনি রিপাবলিকানদের সমর্থনে নিজের কবিতায় পৃথিবীর সব পাঠকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানালেন। তাঁর কলম থেকে বেরিয়ে এল এক অনবদ্য রচনা – ‘হৃদয়ে স্পেন’ । স্পেনের গৃহযুদ্ধ নেরুদাকে এক স্পষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী করে তুলেছিল। পরে ১৯৭১ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন – ‘আমার জীবনের ভিত্তিমূলে এক প্রচণ্ড আলোড়ন ছিল সেই সময়ের স্পেন।’ তাঁর স্মৃতিকথার ‘একটা পথ বেছে নিয়েছিলাম’ অধ্যায়ে তিনি বলেছেন কেন কম্যুনিষ্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। এর পিছনে নানা কারণ থাকলেও তিনি স্পেনের গৃহযুদ্ধকালীন কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেছেন সেই উত্তাল সময়ে একমাত্র কম্যুনিষ্টরাই সংঘবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করে যাচ্ছিল এবং তাদের নৈতিক শক্তিও ছিল ফ্যাসিস্ট বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার। তাই কম্যুনিষ্টদের পথ অনুসরণ করার জন্য তিনি জীবনে কখনই অনুতপ্ত হননি।

 

গৃহযুদ্ধে দেশত্যাগী স্পেনীয়দের অভিবাসনের দায়িত্ব নিয়ে পাবলো নেরুদা চিলিতে ফিরে এলেন। ১৯৪০-এ তিনি মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত হন। ১৯৪৩-এ তিনি পেরুর ইনকা সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ মাচ্চু পিচ্চু দেখতে যান এবং তাঁর কাব্যজগতে এক বিরাট পরিবর্তন ঘটে যায়। পেরুতে অবস্থিত আন্দিজ পর্বতের উচ্চতায় প্রাচীন নির্মাণ দেখে তিনি অভিভূত হন। লাতিন আমেরিকার প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন দেখে গর্বিত হয়ে তিনি উপহার দিলেন একটি অসাধারণ কাব্য – ‘Alturas de Macchu Picchu’ (‘মাচ্চু পিচ্চুর উচ্চতা’)। এটি তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘Canto general’-এর  অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় আমি’ কথক হয়ে ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে লাতিন আমেরিকান মানুষের ঐতিহ্য, গৌরব, শ্রম, শোষণ, সংগ্রাম ও মুক্তির কথা বর্ণনা করে।  এই কাব্যগ্রন্থটি রুক্ষ্মতার সঙ্গে কোমলতার মিশ্রণে অননুকরণীয় ভাষার রচিত এক মহাকাব্য। প্রসঙ্গত তিনি লিখেছেন  – ‘নিজেকে মনে হল আমি চিলির, আমি পেরুর, আমি আমেরিকার।’ ১৯৪৮-এ তিনি চিলির সেনেট থেকে বিচ্যুত হন এবং আত্মগোপন করেন। তিনি অশ্বারোহণে আন্ডিজ অতিক্রম করেন এবং দক্ষিণ আমেরিকার নানা স্থানে পরিভ্রমণ করেন। এর পর পারীর শান্তি কংগ্রেসে তাঁর চকিত আত্মপ্রকাশ ঘটে। ১৯৫২ থেকে তিনি চিলিতে বসবাস করতে থাকেন। ১৯৬৯-এ তিনি চিলির রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হন, কিন্তু সালভাদোর আইয়েন্দেকে সুযোগ দিয়ে সরে আসেন। ১৯৭১ সালে তিনি ফরাসী দেশে রাষ্ট্রদূত হন এবং ওই বছরই নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে অগাস্তো পিনোশের নেতৃত্বে চিলিতে মিলিটারি অভ্যুথ্যানের  ফলে তিনি যে দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা ধূলিসাৎ হয়। সালভাদোর আইয়েন্দে হত্যার বার দিন পরে ২৩ সেপ্টেম্বর সান্তিয়াগোতে পাবলো নেরুদার মৃত্যু হয়। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে বিতর্ক আছে। মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা পরেই ফ্যাসিস্ট দস্যুরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাঁর বাড়ির উপর। তাঁর বাড়িতে চলেছিল তাদের তাণ্ডবলীলা।

 

যৌবনের প্রারম্ভে নেরুদা যে সব কবিতা রচনা করেছেন সেখানে তিনি কাব্যিক ‘Yo’/‘আমি’, প্রকৃতি এবং নারীশরীরে নিমগ্ন। এই ‘আমি’ হল খাঁটি লাতিন আমেরিকান যৌবন – উদ্দাম ও বিষণ্ণ। তাঁর প্রথম কবিতার বই ‘Crepusculario’-এ (‘গোধূলির সময়’, ১৯২৩) ব্যক্তিকতার ব্যাপকতা এবং আগামী দিনের বড় কবি হবার প্রতিশ্রুতি ছিল। এই গ্রন্থটির মূল সুর প্রেম এবং যন্ত্রণা, পাশাপাশি তা পূর্বসূরী কবিদের রোমান্টিকতার প্রভাবও বহন করে। এর পর ‘Vinte poemas de amor y una cancion desesperada’ (‘কুড়িটি প্রেমের কবিতা এবং একটি হতাশার গান’ ১৯২৪) প্রকাশিত হলে তিনি প্রেমের কবি হিসেবে সর্বত্র স্বীকৃত পেলেন। এর অধিকাংশ কবিতায় যৌবনের ইন্দ্রিয়ানুভূতি, নারীশরীর নিয়ে উচ্ছ্বাস, মাটির সঙ্গে নারীর একাত্মতা ইত্যাদির সমন্বয়ে রোমান্টিক ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে। তারই সঙ্গে এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলি বিষাদ ঘেরা শরীরী প্রেম এবং পরাবাস্তব বর্ণালীতে পরিপূর্ণ। 

 

১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় ‘Tentativa del hombre infinito’ (‘অসীম এক মানুষের প্রয়াস’), যেখানে জীবন যন্ত্রণার প্রকাশ একেবারে ব্যক্তিগত। এটি কবির সংবেদনশীলতায় অধিকতর মাত্রা যোগ করে।

 

১৯৩৩-এ প্রকাশিত ‘El hondero entusiasta’   

 

(‘অতি উদ্যমী পুরুষ’) কাব্যগ্রন্থেও সেই যৌবনের ছবি, যৌবনের যন্ত্রণা। ওই বছরেই প্রকাশিত ‘Residencien en la tierra’-র (‘মাটির আবাসন’ বা ‘মর্ত্যের পৃথিবী’) কবিতাগুলি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এগুলি ১৯২৫ থেকে ১৯৩১-এর মধ্যে রচিত এবং  তিনটি খণ্ডে গ্রন্থিত হয়েছিল। ১৯৩৩ সালের এই কাব্যগ্রন্থটি যেন পৃথিবীর যাবতীয় দুঃখ ও বেদনার মহাকাব্য হিসেবে আবির্ভূত হয় । বিভিন্ন দেশে কনসাল-এর চাকরি জীবনের নিঃসঙ্গতা এবং পার্থিব অভাব অনটন থেকে নানবিধ মানসিক টানাপোড়েনের অভিব্যক্তির প্রকাশ ঘটেছে এই সময়ের কবিতায়। ব্যক্তিগত হতাশায় নিমজ্জিত কবির চোখে কেবলই ভেসে ওঠে বেদনাসিক্ত মাটি যেখানে চারদিকে শুধু অবসাদ, দারিদ্র্য ও মৃত্যু। তাঁর কবিতার শিরোনাম ‘আমার বাড়িতে অসুখ’, ‘পরিবারে বিষাদ’, ‘একটি ভোরের দুর্বলতা’ ইত্যাদি। 

 

যুক্তিহীন মারণযজ্ঞের সামনে অসহায় কবি লেখেন ‘ সময়ের মৃত্যু ঘটে গেছে। পরাবাস্তব শৈলীতে অবচেতনের বিশৃঙ্খল চিন্তাভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে কবিতায়। তবে পরাবাস্তবতা এবং হতাশার কুয়াশার মধ্যে শুরু হলেও শেষে ব্যক্তিকতা রূপান্তরিত হয়েছে বৈশ্বিকতায়। ১৯৩৫ সালে এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় অধ্যায় প্রকাশিত হয়, যেখানে বাস্তব জগতের অসংগতি আরও সূক্ষ্মভাবে উচ্চারিত হয়। ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় ‘Tercera residencia’ (‘তৃতীয় আবাসন’)। সামাজিক বিশৃঙ্খলা এবং মানুষের যন্ত্রণার সঙ্গে কবির একাত্মতা এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। অবাঞ্ছিত যুদ্ধ যে ব্যাপক অশান্তি নিয়ে আসে কবিতায় তার প্রতিফলন ঘটেছে। এই সময় থেকেই কবি পাবলো নেরুদা রাজনৈতিক মতাদর্শের দিক থেকে একটি সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গী গ্রহণ করতে থাকেন।

 

স্পেনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নেরুদা বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন এবং বক্তৃতা দিয়েছেন। (‘Spain in my Heart’ বা ‘স্পেন আমার হৃদয়ে’ ) কাব্যের বিষয় হিসেবে এসেছে রাজনীতি, যার ছাপ রয়েছে প্রথম কবিতাটি থেকেই। এর ষষ্ঠ কবিতাটির মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায় এর  অনুবাদ থেকে  উদ্ধৃত করছি–

 

“তবু প্রতিটি মৃত অট্টালিকা থেকে ফিনকি দেয় জ্বলন্ত ধাতু

 

ফিনকি দেয় ফুলের পরিবর্তে,

 

স্পেনের প্রতিটি গহ্বর থেকে

 

উৎসারিত স্পেন,

 

প্রতিটি নিহত শিশু জন্ম দিচ্ছে একেকটি শ্যেনদৃষ্টি বন্দুকের,

 

প্রতিটি পাপ থেকে জন্মাচ্ছে বুলেট

 

একদিন না একদিন যা খুঁজে পাবে একটা হৃদপিণ্ডর অব্যর্থ লক্ষ্যবস্তু।” 

 

‘স্টালিনগ্রাদের জন্য নতুন প্রেমের গান’ কবিতায় তিনি রাশিয়ার সাম্যবাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষকে উত্তেজিত করে তুলতে চেয়েছেন। তাঁর কবিতায় ধ্বনিত হয়েছে প্রতিরোধের আহ্বান –---------

 

“আর সমগ্র স্পেনের মধ্য থেকে এটা আবার উঠে আসে

আর স্পেনীয়রা জিজ্ঞেস করে,

ফায়ারিং স্কোয়াডের দেওয়ালের পর

 

স্টালিনগ্রাদ কি টিকে থাকবে” । 

 

কবিতায় রাজনীতি প্রবেশ করে অনর্থ বাধিয়েছে এই অভিযোগ নিয়ে সোরগোল পড়ে যায়। কিন্তু নেরুদা এ সব নিয়ে মোটেই চিন্তিত হননি, বরং তিনি স্বেচ্ছায় রাজনৈতিক কবি যোদ্ধা হতে চেয়েছেন।


লেখক: কবি ও প্রাবন্ধিক, সুনামগঞ্জ।

উপসম্পাদকীয় থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার