প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:০৩
বাইশ
বেঁচে থাকা কাকে বলে বহু বহু দিন আগে বেমালুম গেছি ভুলে
কালের কণিকাগুলি ইতিহাস হয়ে শুয়ে আছে স্মৃতির ভাড়ালে
অর্থহীন এই বোধ জানা কথা মানুষা হয় না একা কোনও দিন
মানুষেরা মিলে থাকে মিলেমিশে একা তারা নয় কখনও স্বাধীন
অপরত্ব আছে এক তার নাম উৎপাদনতন্ত্র উৎস বৈষম্যের
শ্রেণিভেদ সর্বদা উচিয়ে রাখে নাক জন্ম হয় একাকি বোধের
এই বোধে ধার দিয়ে দিয়ে মানুষেরা খুনি হয়ে উঠে কালে কালে
খুনের ঘটনা ঘটে দিন দুপুরে অথবা রাতে সকালে বিকালে
ফিলিস্তিন ইউক্রেন ইরান ইরাক ইতস্তত যে কোনও জাগাতে
খুন করা হয় ধন তোলে দিতে কতিপয় ধনকুবেরের হাতে
মানুষেরা খুনি খুন ভিন্ন ইতিহাস আপাতত মতিভ্রম বটে
খাদ্য খাতক ঘাত্য ঘাতকে দ্বন্দ্ব অহর্নিষ চিন্তা স্থিত নরঘটে
এই পৃথিবীতে কেউ ছিলো না কোথাও কোনও দিন একাকি বিজন
ছিল স্বার্থতৃষ্ণা প্রেম ঘৃণা কায়ার ছায়ার মতো অপর স্বজন \
তেইশ
কুবেরের মনমতো মানুষ তারাই যারা মরা মানুষের মতো
প্রকৃতপ্রস্তাবে তাই এই দেশে কেউ বেঁচে নেই কুবের ব্যতীত
কুবের মানেই হলো ভয়ঙ্কর রক্তলোভী নর জিঘাংসু কুকুর
লক্ষ্মীপদে নররক্তাঞ্জলি দিয়ে রক্তপানে কভু করে না কসুর
কুবেরের এই রাজনীতি পৃথিবীতে নীতিদের রাজা হয়ে আছে
অর্থলোভ থেকে রাজ্যলোভ ক্ষমতার দম্ভ আছে এসবের পাছে
রাজনীতি নীতি এক অন্তহীন দুর্নীতির বিশাল উৎস উর্বর
পৃথিবীটা মহাহত্যাশালা এক হিরোসাকি বটে শান্তির কবর
পুঁজির পতাকা তলে শান্তি নেই হিংসা আছে আছে হত্যা রক্তপাত
রক্তপাতী যুদ্ধ জয় নিয়ে নরঘাতকের মচ্ছবের সূত্রপাত
রাজনীতি নীতি হয় অপরের ক্ষতি কোনও ছলে বলে যদি করে
রাজনীতি মানে অর্থতৃষ্ণা লোভের তাড়না যা পরের ধন হরে
ধর্মপাপপূণ্য মানে না পুঁজি মুনাফা তার ধর্মকর্ম কেবলম
মানুষে করে মানুষ শিকার একে অন্যকে করে বিক্রমে আক্রম \
চব্বিশ
ধান খেয়ে বুলবুলি চম্বা দেয় খালি হয় দেশলক্ষ্মীর ভাড়াল
এইভাবে জন্ম হয় হাভাতে বঙ্গভূমির কোনোও থাকে না আড়াল
জুলাই জাগরণের শেষে ফাঁকা হতে হতে ফের পণ্য হয় দেশ
নমস্কার বাবু সাব ষষ্ঠাঙ্গে প্রণাম উপদেষ্টা তোমাকে অশেষ
মালের পাহাড় জাগে মেরিকা অথবা স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশে দেশে
বঙ্গঘরে হাহাকার ‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিব কীসে’
ব্রীহিশূন্য ভাড়ালের দেশ কচ্ছপাড়ে কোনও কোনও কৃষক রমণী
আলসে দাওয়ায় বসে নিরজনে নিরিবিলি ছড়া কাটে সনাতনী
এইখানে কিত্তা জুড়ে বুলবুলি মুচ্ছুদ্দিরা পাকা ধান খায় বটে
উড়ে এসে জুড়ে বসা উপদেষ্টাগণও তাই দেশে এই বার্তা রটে
ঘটনার রটনা বার্তা দিয়ে গেলো দিকে দিকে দিন যায় কথা থাকে
সামাজিক যোগাযোগ পত্রিকার পাতা দিন শেষে লিপি লিখে রাখে
সামাজিক সওদাগর অনন্য কুসিদজীবী তুমি নাগর সুন্দর
অন্তর্বর্তীকালে তোলে দিলে ফিনান্স পুঁজির হাতে নগর—বন্দর
উপসম্পাদকীয় থেকে আরো পড়ুন