সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্য সম্ভার

প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট, ২০২৪ ১৯:৪৭

বাংলা কাব্য সাহিত্যে ভোরের নক্ষত্রের মতোই আবির্ভাব সুকান্ত ভট্টাচার্যের। নিতান্ত কিশোর বয়সে তাঁর কবি প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে এবং মাত্র একুশ বছর বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সচেতন কাব্য নিষ্ঠার কারণে তাঁর স্মরণে বর্ষীয়ান কবি বিষ্ণু দে বলেছিলেন, “এইভাবেই সে মিশে গেছে বৃহতের দলে তার নচিকেত কবি-স্বভাবের স্বচ্ছ আগুনে।” কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কাব্যজগতে এক অনন্য প্রতিভা। রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের কবিদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সুকান্ত ভট্টাচার্য। কিন্তু তার কবিত্ব শক্তির যে পরিচয় পাওয়া যায় তা সমকালের গন্ডি পেরিয়ে পরবর্তীকালের লেখক পাঠকদের করে তুলে  বিস্ময়াভিভূত। কবির জন্ম মাতুলালয়ে ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট, কলকাতার কালীঘাটের ৪২ নং মহিম হালদার স্ট্রিটে। পিতার নাম নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য এবং মা সুনীতি দেবী। নিবারণচন্দ্রের আদি নিবাস ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গের ফরিদপুর (বর্তমান গোপালগঞ্জ ) জেলার কোটালীপাড়ায়। সেখান থেকে তার পূর্বপুরুষেরা ভাগ্যান্বেষণে কলকাতায় এসে বেলেঘাটা অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন। কবির শৈশব কাটে বাগবাজারের নিবেদিতা লেনের একটি বাড়িতে একান্নবর্তী সংসারে। স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় কমলা বিদ্যামন্দিরে হয় সুকান্তের শিক্ষার সূচনা। এই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রদের হাতে লেখা পত্রিকা ‘সঞ্চয়’ এ প্রথম হাসির গল্প প্রকাশ, তারপরে বিজন ভট্টাচার্যের ‘শিখা’ পত্রিকায় ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হয় ‘বিবেকানন্দের জীবনী’।  বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের প্রেরণা, গ্রন্থপাঠ, বন্ধু অরুণাচল বসুর মৈত্রী ও তার মা কবি সরলা বসুর স্নেহ সুকান্তের কবি প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে ‘গল্পদাদুর আসরে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি এবং রবীন্দ্র প্রয়াণ উপলক্ষে কবিতা রচনার মধ্য দিয়ে সুকান্ত ভট্টাচার্যের পরিচিতি শুরু হয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়ে তিনি মার্কসবাদী চিন্তাধারার সংস্পর্শে আসেন ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে উঠেন। ১৩৫০-এর মন্বস্তরে দুর্ভিক্ষ পীড়িত নরনারীর সেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৩৫১ তে মন্বস্তরের পরিপ্রেক্ষিতে ‘আকাল’ নামে একটি কবিতা সংকলন সম্পাদনা করেন। এই সময়ে তাঁকে বাংলাদেশে কিশোর সংগঠন গড়ে তোলা এবং ‘স্বাধীনতা’ পত্রিকার কিশোর সভায় বিভাগীয় সম্পাদকের ভূমিকায়ও দেখা যায়।
সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্য রচনার পটভূমি ছিল শোষণে-বঞ্চনায়, বিক্ষোভে-বিদ্রোহে-দাঙ্গায় মন্বন্তরে উত্তাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্রোধানলে পৃথিবীর অবস্থা তখন ভয়াবহ। ব্রিটিশ ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর জন্য খাদ্যের যোগান দিতে গিয়ে বাংলাদেশে দেখা দিয়েছিল দুর্ভিক্ষ। পঞ্চাশের মন্বন্তরে মারা যায় প্রায় ৪৫ লক্ষ মানুষ। অন্যদিকে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্টে হিন্দু মুসলমানের দাঙ্গায় নিহত হয় বহু লোক। বিশ্বযুদ্ধের নারকীয় অত্যাচার ও ফ্যাসিস্ট শক্তির আগ্রাসন নীতি, কলকাতায় বোমা পড়ার ভয়ে মানুষজনের পালিয়ে যাওয়া, যুদ্ধের সুযোগে কালোবাজারী, মজুতদারী ইত্যাদি ঘটনাসমূহ কবির আগোচরে ছিল না। ধনী ও বণিক সমাজের অত্যাচারে জর্জরিত দরিদ্রজনের জীবন-যন্ত্রণা, ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর প্ররোচনায় সহ¯্র প্রাণের বিদায় কবিকে ক্ষুব্ধ ও প্রতিবাদী করে তোলে। সাম্যবাদের মধ্য দিয়ে তিনি দেখেছিলেন শান্তির পৃথিবী।


মাত্র একুশ বছরের জীবনে সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচনাসমূহ হল- কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ (১৯৪৭ খ্রিঃ), ‘পূর্বাভাস’ (বঙ্গাব্দ ১৯৫০ খ্রিঃ), ‘ঘুম নেই’ (১৯৫০)। ছড়া : ‘মিঠে কড়া’ (১৯৫২)। সম্পাদনা গ্রন্থ  : ‘আকাল’ (১৯৪৩)। নাটক - ‘অভিযান’, ‘সূর্যপ্রণাম’, ‘দেবতাদের ভয়’, ‘রাখাল ছেলে'। ছোটগল্প ও গল্পানুবাদ -‘হরতাল’, ‘লেজের কাহিনী’, ‘ষাঁড়-গাধা-ছাগলের কথা’ (ভি. বিয়াঙ্কির ‘ঞধষবং’ গল্পের অনুবাদ), ‘পত্রগুচ্ছ’।
সম্ভবত ১৯৩৫ সালে সুকান্ত ভট্টাচার্য প্রথম কবিতা লিখেছেন। তখন পরিবারের সাথে সুকান্ত গিয়েছিলেন সাঁওতাল পরগনার জেসিডিতে। সঙ্গে ছিল সুকান্তর সমবয়সী মনোজ ভট্টাচার্যের মামাত বোন রমা ও রানী। এ দুজনকে নিয়ে সুকান্ত লিখেছিলেন --
“রমা রানী দুই বোন, পরীর মতন/হবে বলে মেয়ে দুটি লক্ষী কেমন।/দুই বোন রমা রানী/হবে করে কানাকানি /দুইজনে হবে ভালো/করিবে যে ঘর আলো সীতার মতন।” মনোজ ভট্টাচার্যের মতে এটিই সুকান্তর প্রথম কবিতা।
পাঁচ ছয় বছরে সুকান্ত বাড়ির সাদা দেয়ালে কয়লা দিয়ে লিখেছিলেন-
“দেয়ালে দেয়ালে/ মনের খেয়ালে/ লিখি কথা/ আমি যে বেকার / পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা।”
বাংলা কবিতায় স্বদেশ ও ইতিহাস সচেতন কবি যারা ছিলেন সবাই পরিণত বয়স্ক ছিলেন। সুকান্ত ভট্টাচার্যের ছিল সংক্ষিপ্ত পরিসরের জীবন। মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয় তাঁর সমস্ত কাব্য। শুধুমাত্র প্রথম কাব্য ‘ছাড়পত্র’। তাঁর ‘ছাড়পত্র’ কাব্যের প্রথম কবিতায় আছে নতুনকে চেনার ধৈর্য ও সহানুভূতি, মুগ্ধ আবেগ নয় নবজাতকের কাছে দীপ্ত অঙ্গীকার -
“আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে ভাষা /পেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগের-/পরিচয় পত্র পড়ি ভূমিষ্ঠ শিশুর /অস্পষ্ট কুয়াশাভরা চোখে।/../চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,/এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি-/নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”
মাসতুতো ভাই ভূপেন ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় ‘নাগরিক’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল কবির  দেশপ্রেম মূলক ‘ভবিষ্যতে’ কবিতা। কবিতার কয়েকটি লাইন এরকম-
“স্বাধীন হবে ভারতবর্ষ থাকবে না বন্ধন,
আমরা সবাই স্বরাজ - যজ্ঞে হবে রে ইন্ধন।
 বুকের রক্ত দিব ঢালি স্বাধীনতার তরে
 রক্তপণে দিব ঢালি ভারত  মাতারে।”
জগদীশ ভট্টাচার্যের মতে, সুকান্তের সবচেয়ে অবিস্মরণীয় কবিতা ‘রানার’ যেখানে খুঁজে পাওয়া যায় এক অনন্য সাধারণ অনুভূতি। সুকান্ত ভট্টাচার্যের রানার পরোক্ষভাবে কবি নিজেই। রানার জীবনযুদ্ধে নিবেদিত এক সাহসী সৈনিক। কবিতার ভাষায়-
“রানার ছুটেছে তাই ঝুম্ ঝুম্ ঘন্টা বাজছে রাতে
 রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে,
 রানার চলেছে রানার ।
 ..... কত গ্রাম কত পথ যায় পরে সরে
 শহরে রানার যাবেই পৌঁছে ভোরে,


 .......
অনেক দুঃখে, বহু বেদনায়, অভিমানে, অনুরাগে
ঘরে তাঁর প্রিয়া একা শয্যায় বিনিদ্র রাত জাগে।”
অনেক, হতাশার পরও কবি আশাবাদী হন হৃদয়ের চাপা উচ্ছ্বাসে --
“হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলাদেশ
কেঁপে কেঁপে উঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে,
সে কোলাহলের রুদ্ধস্বরের আমি পাই উদ্দেশ।”
সুকান্তর কবিতায় যুগের অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে অবলীলায়। তাইতো হে মহাজীবন কবিতায় তাঁর উচ্চারণ-
“হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়
এবার কঠিন, কঠোর গদ্যে আনো,
পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাক
গদ্যের কড়া হাতুড়িকে আজ হানো!
প্রয়োজন নেই, কবিতার স্নিগ্ধতা-
কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি,
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী-গদ্যময়ঃ
পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্সানো রুটি।।”
কিভাবে যুগ থেকে যুগান্তরে ব্যাপ্ত হয় বিভিন্ন রকমের সংবাদ তার ইঙ্গিত পাওয়া যায় “খবর” কবিতায়-
“কিন্তু মনে রেখো তোমাদের আগেই খবর পাই/
মধ্যরাত্রির অন্ধকারে/তোমাদের তন্দ্রার অগোচরেও।/.../পৃথিবী মুক্ত-জনগণ চূড়ান্ত সংগ্রামে জয়ী।”
ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থের ‘রবীন্দ্রনাথের প্রতি’ কবিতায় দেখা যায় তার রবীন্দ্র-ঐতিহ্যের প্রতি  স্বীকৃতি এবং সেই সময়ের  দুর্ভিক্ষ ও অত্যাচারের বাস্তব পরিস্থিতিতে সংগ্রামের আহ্বান-
“এখনো প্রাণের স্তরে স্তরে,/তোমার দানের মাটি সোনার ফসল তুলে ধরে।/এখনো স্বগত ভাবাবেগে,/
মনের গভীর অন্ধকারে তোমার সৃষ্টিরা থাকে জেগে।”
রাশিয়ার বিপ্লবী চেতনা ও লেনিনের স্মরণে কবিচিত্ত নন্দিত ও স্পন্দিত হয়েছে বারবার।
“লেনিন ভেঙেছে রুশে জন¯্রােতে অন্যায়ের বাঁধ
অন্যায়ের মুখোমুখি লেনিন প্রথম প্রতিবাদ।”
জাতীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ দেশপ্রেমিক কবি সুকান্ত মহাত্মাজীর প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন অকুণ্ঠচিত্তে
“তাইতো এখানে আজ ঘনিষ্ঠ স্বপ্নের কাছাকাছি,
মনে হয় শুধু তোমারই মধ্যে আমরা যে বেঁচে আছি-
তোমাকে পেয়েছি অনেক মৃত্যু উত্তরণের শেষে,
তোমাকে গড়ব প্রাচীর, ধ্বংস-বিকীর্ণ এই দেশে।
দিক্দিগন্তে প্রসারিত হাতে তুমি যে পাঠালে ডাক,
তাইতো আজকে গ্রামে ও নগরে স্পন্দিত লাখে লাখ॥”

 

 

‘চারাগাছ’ কবিতায় কবির মনোভাব-
“ছোট ছোট চারাগাছ-
নিঃশব্দে হাওয়ায় দোলে, কান পেতে শোনে :
প্রত্যেক ইটের নীচে ঢাকা বহু গোপন কাহিনী
রক্তের, ঘামের আর চোখের জলের।
তাইতো অবাক আমি, দেখি যত অশ্বত্থ চারায়
গোপনে বিদ্রোহ জমে, জমে দেহে শক্তির বারুদ;
প্রাসাদ-বিদীর্ণ-করা বন্যা আসে শিকড়ে শিকড়ে।”
‘দেশলাই কাঠি’র রুপকে কবির অনুভূতি Í
‘আমরা বন্দী থাকব না তোমাদের পকেটে পকেটে,
আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব
শহরে, গঞ্জে, গ্রামে-দিগন্ত থেকে দিগন্তে।”


 ‘একটি মোরগের কাহিনী’তে অসহায় মানুষের রক্ষক সেজে কীভাবে ভক্ষক হয়ে উঠে তা বর্ণিত হয়েছে-
“...ছোট, মোরগ ঘাড় উঁচু করে স্বপ্ন দেখে-
‘প্রাসাদের ভেতর রাশি রাশি খাবার’!
তারপর সত্যিই সে একদিন প্রাসাদে ঢুকতে পেল,
একেবারে সোজা চলে এল
ধপে সাদা দামী কাপড়ে ঢাকা খাবার টেবিলে ;
অবশ্য খাবার খেতে নয়-
খাবার হিসেবে।”

 


‘বোধন’ কবিতায় প্রথমভাগে আছে জনগণের প্রতি সহানুভূতি, দ্বিতীয় ভাগে আছে জনগণের জন্য সংঘবদ্ধ সংগ্রাম, শেষে আছে সর্বহারা মানুষের সংহতিতে কবির গভীর আস্থা ও আশ্বাস-
“শোষক আর শাসকের নিষ্ঠুর একতার বিরুদ্ধে একত্রিত হোক আমাদের সংহতি। ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে সুকান্ত প্রবেশিকা পরীক্ষা দেন। ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে চিকিৎসার জন্য রেড এড কিওর হোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই বছরে ১৭ই সেপ্টেম্বরে মুক্তিপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের বিপ্লবীরা আসেন হাসপাতালে বিপ্লবী কিশোর কবিকে অভিনন্দন জানাতে। সেখান থেকে তিনি যাদবপুর যক্ষ্মা হাসপাতালের পেয়েং বেডে স্থানান্তরিত হন। ১৯৪৭ খ্রিঃ ১৩ই মে কবি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন ।
তাঁর ক্ষয়রোগে ভুগে অকাল মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ হয়ে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন-
“কবি ছাড়া আমাদের জন্ম বৃথা।
বুলেটের রক্তিম পঞ্চমে কে চিরবে
ঘাতকের মিথ্যা আকাশ?
কে গাইবে জয়গান?
বসন্তে কোকিল কেশে কেশে রক্ত তুলবে
সে কিসের বসন্ত?”
বিপ্লবী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভেতরে ছিল আবেগপ্রবণ ও সংবেদনশীল মন। তাঁর সহজাত আবেগ দেখা যায় তাঁর কবিতায়-
“আমার মৃত্যুর পর থেমে যাবে কথার গুঞ্জন
বুকের স্পন্দনটুকু মূর্ত হবে ঝিল্লির ঝংকারে ,
জীবনের পথ প্রান্তে ভুলে যাবে মৃত্যুর শংকারে,
উজ্জ্বল আলোর চোখে আঁকা হবে আঁধারের অঞ্জন।”


লেখক : কবি ও প্রাবন্ধিক, সুনামগঞ্জ

সম্পাদকীয় থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার