মুক্তমত

শিক্ষায় বৈষম্য শিক্ষকদের মর্যাদা ও বাস্তবতা

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১১

উচ্ছ্বাস ভরি শিক্ষককে আজি দাঁড়ায়ে সগৌরবে, 
কুর্ণিশ করি বাদশাহে তবে কহেন উচ্চরবে—
'আজ হতে চির উন্নত হলো শিক্ষাগুরুর শির
সত্যই তুমি মহান উদার বাদশাহ আলমগীর।'

কাজী কাদের নেওয়াজের বিখ্যাত কবিতা ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতাটির কথা কি মনে আছে? বাদশাহ আলমগীর একদা প্রভাতে গিয়ে দেখলেন, শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে শিক্ষকের চরণে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজ হাতে নিজের পায়ের ধূলি মুছে সাফ করছেন। বাদশাহ সেদিন ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তাঁর পুত্র কেন নিজ হাত দিয়ে শিক্ষকের পা ধুয়ে দিল না? শিক্ষক মৌলভী যখন বাদশাহর এই মনের উদারতা বুঝতে পারলেন, তখন তিনি উচ্ছ্বাস ভরে দাঁড়িয়ে সগৌরবে কুর্নিশ করে বলে উঠেছিলেন, "আজ হতে চির-উন্নত হলো শিক্ষাগুরুর শির, সত্যই তুমি মহান উদার বাদশাহ আলমগীর।"কবি কাজী কাদের নেওয়াজের বিখ্যাত ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতায় শিক্ষককে যে সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, তা সত্যিই অনন্য এবং পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।

 

 

সময় বদলে যায়, সময়ের সঙ্গে পৃথিবী বদলায়, বদলায় শিক্ষা ব্যবস্থা। যুগ বদলায়, বদলায় মূল্যবোধ। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে শিক্ষাদানের পরিধি শুধু ক্লাসরুমের চার দেয়ালের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এটি এখন বৈশ্বিক ও সামাজিক পরিবর্তনের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে গেছে। শিশুরা এখন আর আধুনিক বিভিন্ন ডিভাইস থেকে শিখছে। এখন আর শিক্ষা  গুরু কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা নয়। আধুনিক ক্লাসরুমে এখন চক-ডাস্টারের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া, এআই (AI), এবং অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম জায়গা করে নিয়েছে। শিক্ষকদের এখন কেবল বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান থাকলেই চলে না, পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতায় পারদর্শী হতে হচ্ছে।  শিক্ষককে অবশ্যই আধুনিক ও যুগোপযোগী হতে হয়। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, দুর্বলতা ও পারিবারিক অবস্থা বিবেচনা করে বন্ধুর মতো পাশে থাকা। নিজে নিয়মিত নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে শিক্ষার্থীদের আজীবন শিখতে অনুপ্রাণিত করা।

 


শ্রেণিকক্ষে ভীতি দূর করে হাসিখুশি ও ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখা।

আজ  ৫ অক্টোবর। বিশ্ব শিক্ষক দিবস। শিক্ষকদের সম্মান জানাতে ও সমাজে  অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি জানাতে  বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।
অবশ্য আজ থেকে নয়, এ সম্মান ১৯৬৬ সালের ৫ অক্টোবর প্যারিসে ইউনেস্কো (UNESCO) ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) যৌথ উদ্যোগে শিক্ষকদের মর্যাদা সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক সুপারিশমালা (Recommendation concerning the Status of Teachers) গৃহীত হয়। এই স্মারকটির স্বাক্ষরকে স্মরণ করতে এবং এর স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৪ সাল থেকে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে
 পালিত হয়ে আসছে। শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার পাশাপাশি। শিক্ষকদের  অধিকার।  শিক্ষকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করা। শিক্ষকদের  পেশাগত প্রশিক্ষণ, নিয়োগ, এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা।  সমাজ গঠনে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরিতে শিক্ষকদের অবদানকে সম্মান জানানো। শিক্ষক পেশার গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং বিশ্বব্যাপী শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করতে এই দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর অত্যন্ত গুরুত্ব ও মর্যাদার সাথে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। জাতীয় পর্যায়ে দেশের সেরা ও গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা জানানো হয়। এ বছর প্রায় ১০০ জন বিশিষ্ট শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় উদযাপনের পাশাপাশি দেশের সব জেলা, উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলাদা র‍্যালি, আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি পালিত হয়। ইউনেস্কো ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে মিল রেখে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়, যা শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি তুলে ধরে। শিক্ষককে মর্যাদা করা কোনো নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটা কোনো দেশের শিক্ষার মানের জন্য জরুরি।

 

 

অনেক দেশে শিক্ষকতা পেশাকে সম্মান জানানো হয়।ব্রিটেন-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকোনোমকি এবং সোশ্যাল রিসার্চ ৩৫টি দেশে ৩৫ হাজার মানুষের ওপর এক গবেষণা চালিয়ে যে ‘শিক্ষক মর্যাদা সূচক’ প্রকাশ করেছে, তাতে এই চিত্র বেরিয়ে এসেছে। ব্রিটেনে শিক্ষকের মর্যাদা সূচকের মাঝমাঝি জায়গায়। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং জার্মানির চেয়ে ওপরে।
চীন তালিকার সবচেয়ে ওপরে। চীনের ৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী বিশ্বাস করে শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে, যেখানে আন্তর্জাতিকভাবে এই গড় ৩৫ শতাংশ।
ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকায় শিক্ষকদের সম্মান দেওয়ার ইস্যু ততটা গুরুত্ব পায়না যতটা পায় এশিয়ায়।

 


বিশেষ করে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান বা মালয়েশিয়ায় শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা অনেক ওপরে। এবং আন্তর্জাতিকভাবে যে সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা হয়, সেখানে এই দেশের শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে ভালো করছে। তার অন্যতম কারণ হচ্ছে, মর্যাদা রয়েছে বলে ভালো শিক্ষক পাওয়া এবং ধরে রাখাও সহজ হয় এসব দেশ। গবেষণায় দেখা গেছে, চীন, ভারত বা গানায় এখনও পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের শিক্ষক হতে উৎসাহিত করে।

 


অন্যদিকে, ইসরায়েল বা ব্রিটেনে বাবা-মায়েরা চাননা তাদের সন্তানরা শিক্ষকতায় ঢুকুক। সম্মান ও সুযোগ সুবিধার বিচারে বাংলাদেশে শিক্ষকরা অনেক পিছিয়ে। উপযুক্ত বেতন-ভাতার অভাবে মেধাবীরা তাদের কর্মসংস্থানের পছন্দের তালিকায় শিক্ষকতাকে কম গুরুত্ব দেন। এ কারণে দাবি ও সম্মান আদায়ে শিক্ষকদের নিয়মিত আন্দোলন করতে দেখা যায়। সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।বেসরকার শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছে বিভাজন। আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে চান না।

 

 

একটি জাতির মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষায় বৈষম্য বলতে বোঝায় সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জন্য সমানভাবে শিক্ষার সুযোগ, অংশগ্রহণ এবং সুফল নিশ্চিত না হওয়া।  ধনী পরিবারের সন্তানেরা সাধারণত উন্নত অবকাঠামোসম্পন্ন বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগের পাশাপাশি কোচিং ও প্রাইভেট টিউটরের সহায়তা নেয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করে। অন্যদিকে, দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা গাদাগাদি করা শ্রেণিকক্ষ, অপর্যাপ্ত শিক্ষাসামগ্রী এবং প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষাজীবন শুরু করে। জীবনের এই অসম শুরু তাদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়।বৈষম্য শুরু প্রথামিক বিদ্যালয় থেকে। প্রাথমিক নানার স্তরের বিদ্যালয় দেখা যায়। (১) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, (২) পরীক্ষামূলক প্রাথমিক বিদ্যালয়, (৩) প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই)–সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়, (৪) নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, (৫) অনিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, (৬) কমিউনিটি স্কুল, (৭) স্যাটেলাইট স্কুল, (৮) মাধ্যমিক বিদ্যালয়–সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়, (৯) এনজিও পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়, (১০) কিন্ডারগার্টেন, (১১) ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং (১২) মাধ্যমিক মাদ্রাসা–সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা।

 

 


শিশুরা শিক্ষাজীবনের একেবারে প্রাথমিক স্তরেই বৈষম্যের সম্মুখীন হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরের এ ধরনের বৈষম্য শিশুদের মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতায় পার্থক্য সৃষ্টি করে, যা তাদের সামগ্রিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে।

শিক্ষায় বৈষম্যের একটি প্রকট দিক হলো গ্রাম-শহরের ব্যবধান। শহরাঞ্চলে তুলনামূলকভাবে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দক্ষ শিক্ষক, ডিজিটাল সুবিধা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণ অঞ্চলে এখনো বহু বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, অবকাঠামো দুর্বল এবং প্রযুক্তিগত সুবিধা সীমিত। ফলে গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা শেষ করার আগেই ঝরে পড়ে। এই বাস্তবতা গ্রামীণ দারিদ্র্যকে স্থায়ী করে এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের ভারসাম্য নষ্ট করে।  প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা শেষ না করে স্কুল থেকে বেরিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ৮০ শতাংশই গ্রামীণ অঞ্চলের, এবং তারা শিক্ষা সম্পন্ন করতে পারছে না জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশি হারে। একই সঙ্গে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৩৪ শতাংশই গ্রামীণ অঞ্চলের, যেখানে শহর, মেট্রোপলিটন ও অর্ধশহরের শিক্ষার্থী ৬৬ শতাংশ। এগুলো স্পষ্ট নির্দেশ করে যে গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় পৌঁছাতে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। দেশে প্রশিক্ষিত ও মানসম্মত শিক্ষকের সংখ্যা ও অপর্যাপ্ত। জাতীয়ভাবে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার মাত্র ৭৪ শতাংশ, যা অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশের তুলনায় কম এবং গ্রামীণ ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও জটিল। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ২০২৩–এর তথ্যমতে, প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যায় গ্রামীণ শিক্ষার হার প্রায় ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ, যেখানে শহুরে শিক্ষার হার ৮৩ দশমিক ৯ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানগুলো পরিষ্কারভাবে দেখায় যে—গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় কম সুযোগ পাচ্ছে এবং শহরের তুলনায় গুণমানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে, গ্রামীণ দারিদ্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও জোরদার হচ্ছে এবং জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। শুধু শিক্ষায় প্রবেশাধিকার নয়, শিক্ষার মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বৈষম্য তখনই আরও গভীর হয়, যখন দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা নিম্নমানের শিক্ষা গ্রহণে বাধ্য হয়। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা বহু বছর পড়াশোনা করেও মৌলিক সাক্ষরতা, গণিত কিংবা বিশ্লেষণমূলক দক্ষতা অর্জন করতে পারে না। এর ফলে তৈরি হয় ‘সনদধারী বেকার’।

 

মানব সভ্যতা বিকাশের পশ্চাতে রয়েছে শিক্ষক সমাজ। শিক্ষাকে সব উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে ধরলে শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিকল্প নেই। যে দেশগুলোতে শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নত, সে দেশগুলোতে শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা এবং পেশাগত সম্মানও সর্বোচ্চ।  মেধাবীরাই শিক্ষকতা পেশায় আসবেন এমন সুযোগ তৈরী করা। শিক্ষকদের আকর্ষণীয় বেতন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 
শিক্ষাকে ব্যবসা না ভেবে জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে দেখা হয়। সকল শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা। জাপানে কোন শিক্ষক দিবস আলাদাভাবে পালন করা হয় না।
 জাপানে শিক্ষকদের পেশাটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। তাদের প্রতিদিনের কাজের মাধ্যমেই শ্রদ্ধা জানানো হয়, আলাদা কোনো বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না। প্রকৃত পক্ষে শিক্ষকদের সম্মান জানাতে দিবসের কোন প্রয়োজন হয় না। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকদের প্রতি সশ্রদ্ধা সালাম।

লেখক : সহকারী শিক্ষক, তাড়ল উচ্চ বিদ্যালয়, দিরাই,সুনামগঞ্জ

উপসম্পাদকীয় থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার